1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::

মব করে গণপিটুনির পর মামলা, ২২ দিন পর জামিনে মুক্ত সেই শিক্ষক

  • আপডেট টাইম :: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ঝিনাইদহ : ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ‘মব’ করে গণপিটুনির পর এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে করা মামলায় ২২ দিন পর জামিনে মুক্ত হয়েছেন সহকারী শিক্ষক শাহ আলম।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ঝিনাইদহ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এমরান হোসাইন চৌধুরীর আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

জামিনে মুক্ত হয়ে শিক্ষক শাহ আলম বলেন, ‘বিনা অপরাধে মব করে ফাঁসিয়ে আমাকে কারাগারে পাঠিয়েছিল কিছু কুচক্রী মহল।’

তিনি আরও বলেন, বিজ্ঞ আদালতের প্রতি বিশ্বাস ছিল। আদালত একজন শিক্ষক হিসেবে আমার বিশ্বাসের মর্যাদা দিয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার শুরু থেকে বিষয়টি নিয়ে নিরপেক্ষভাবে দৈনিক ইত্তেফাকসহ যেসকল সাংবাদিক ও মিডিয়া হাউজ সংবাদ প্রকাশ করেন তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

এর আগে গত ১৮ আগস্ট সকালে কালীগঞ্জের বড় বাইসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শাহ আলমকে একদল লোক গণপিটুনি দেয়। পরে এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ তুলে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। থানায় নেওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে প্রথমে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়।

এদিকে ঘটনার দিন তাৎক্ষণিকভাবে প্রকৃত ঘটনা অনুসন্ধানে কালীগঞ্জ উপজেলা ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সমন্বয়ে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে কালীগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এইচ এম রোকনুজ্জামান বলেন, যেহেতু বিষয়টি এখন সম্পূর্ণ আদালতে বিচারাধীন, তাই তদন্ত শেষ হয়নি। তবে এ সংক্রান্ত পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদগুলো খুলনা ডিজি মহোদয়ের নির্দেশক্রমে অফিসে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, ঘটনার পর স্থানীয়দের পক্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীর অভিযোগ হিসেবে সাদা কাগজে হাতে লেখা একটি স্বাক্ষরবিহীন চিঠি স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে দেওয়া হয়। ওই চিঠিতে শিক্ষক শাহ আলমের বিরুদ্ধে নানা ধরনের হয়রানির অভিযোগ করা হয়। তবে চিঠিতে ছাত্রীকে ওয়াশরুমে নিয়ে গিয়ে কোনো ঘটনা ঘটানোর কথা উল্লেখ ছিল না।

ঘটনার পর শিক্ষককে মারধর ও অবরুদ্ধ করার বিষয়টি নিয়েও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্তের কথা জানানো হয়েছিল। অন্যদিকে শিক্ষক শাহ আলম শুরু থেকেই তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। আদালতের জামিনের আদেশের পর ২২ দিন কারাভোগ শেষে মুক্ত হয়েছেন তিনি। মামলার বিচারিক কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com