
চুয়াডাঙ্গা : চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় হাতকড়াসহ পালানোর প্রায় ১৮ ঘণ্টা পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার আবু ছিদ্দিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাছাড়া হাতকড়াসহ আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগেও ৯ নারী-পুরুষকে আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এর মধ্যে আবু সিদ্দিককে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে হাতকড়াসহ উপজেলার ভারতীয় সীমান্তবর্তী এলাকার নাস্তিপুর গ্রাম থেকে জেলা ডিবি ও থানা পুলিশ আটক করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, বুধবার রাত ৮টার দিকে দর্শনা থানার চন্ডিপুর গ্রামের হালদার পাড়া অভিযান চালিয়ে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি ও কুড়ালগাছি ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার ছিদ্দিক আলিকে আটক করে। এ সময় বাড়ি ও আশপাশের লোকজন ওয়ারেন্ট আছে কিনা জানতে চাইলে পুলিশ তাদের জানায় ‘ওয়ারেন্ট নেই, তবে সরকার বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে থানায় নেওয়া হচ্ছে।’ এ কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গে এলাকার লোকজন পুলিশের ধাক্কাধাক্কি ও হামলা করে। এ সুযোগে ছিদ্দিক আলি পালিয়ে যায়। এ সময় দর্শনা থানার এস আই আরিফুল ইসলাম ও সিপাহি আমিনুল ইসলাম মারাত্মক আহত হয়।
পরে দর্শনা থানা পুলিশ বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে একই গ্রাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফরহাদ হোসেন, লক্ষণ হালদার, কনা রানিদাস, সোনালি হালদার, নাসিম হোসেন, আলম হোসেন, সেলিম মিয়া ফিরোজ রশিদ ও আশরাফকে আটক করে।
গ্রেপ্তারের পর পুলিশের হাতকড়া নিয়ে পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা, ২ পুলিশ সদস্য আহতগ্রেপ্তারের পর পুলিশের হাতকড়া নিয়ে পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা, ২ পুলিশ সদস্য আহত
দর্শনা থানার ওসি মোখলেসুর রহমান বলেন, ছিনিয়ে নেওয়া ব্যক্তিকে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে সীমান্তবর্তী নাস্তিপুর গ্রাম থেকে ডিবি ও দর্শনা থানা পুলিশ যৌথভাবে আটক করেছে। পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ওই এলাকার ৯ জনকে আটক করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার (সার্কেল) মো. নুরুল্লাহ জানান, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা আবু ছিদ্দিককে আটক করতে গেলে হামলায় দুজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পরে মূল আসামিকেও আটক করা গেছে।