1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নিষিদ্ধ সংগঠন ছাড়া সভা-সমাবেশ করার অধিকার সবার আছে : আইনমন্ত্রী বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয় ক্লাবে পরিণত করেছে বিএনপি : নাহিদ ইসলাম নুসরাত হত্যা মামলায় ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, ৪ জনের যাবজ্জীবন শেরপুরে রাইস কুকারে রান্নার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গৃহবধূর মৃত্যু ‎পাবনায় ১১৩৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৬১৬টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক আসামির গায়ের শার্ট নিয়ে নানা প্রশ্ন খুনের দায় স্বীকার, কারাগারে সিদ্ধার্থ-মুগ্ধ নালিতাবাড়ীতে নিখোঁজ দুই শিশুর মরদেহ ভেসে উঠলো পুকুরে পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা ৩২টি বিলুপ্তপ্রায় কচ্ছপ উদ্ধার

নকলায় অনুমোদন বিহীন চিড়ার মিলের ছাঁই-ধোঁয়ায় অতীষ্ঠ প্রতিবেশিরা

  • আপডেট টাইম :: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

শফিউল আলম লাভলু, স্টাফ রিপোর্টার : শেরপুরের নকলায় অনুমোদন ছাড়াই প্রায় ২০-২২ বছর বছর যাবত প্রধান সড়ক ও আবাসিক এলাকায় বসতবাড়ির পাশে চালানো হচ্ছে চিড়া তৈরির মিল।
জানা গেছে, পৌর শহরের সরকারি হাজী জালমামুদ কলেজের সামনে শফিক মিয়া পাড়ই ও জিয়ারুল পাড়ই অনুমোদন ছাড়াই এ চিড়া তৈরির মিল দিয়ে ব্যবসা করে আসছে। এতে করে মিলের কালো ধোঁয়ায় এবং ছাঁইয়ের কারনে আশপাশের বসতবাড়ির ক্ষতি হচ্ছে। নষ্ট হচ্ছে গাছের ফল। মরিচা ধরে নষ্ট হচ্ছে টিনের চাল। এমনকি কাপড়ও শুকাতে পারছে না আসপাশে বসবাসকারীরা। বেশি ক্ষতি হচ্ছে বয়স্ক ও শিশুদের। কালো ধোঁয়ার কারণে আশপাশের পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে।
এছাড়া নকলা থেকে চন্দ্রকোনা যাওয়ার একমাত্র রাস্তায় মিলের উড়ন্ত ছাঁইয়ের কারনে পথচারীদের চলাচলে ব্যাপক অসুবিধা হচ্ছে।
এমতাবস্থায় অনুমোদন ছাড়া চিড়ার মিলের বিরুদ্ধে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা ও বিভাগীয় কার্যালয়সহ নকলা প্রেসক্লাবে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয়রা।
প্রতিবেশি জাহিদ হাসান সবুজ জানান, চিড়ার মিলের কালো ধোঁয়ায় আমার বয়স্ক মা ঘর থেকে বের হতে পারেন না। ঠিকমতো শ্বাস দিতে পারে না।
এম.এ ইউসুফ হাসান বলেন, চিড়ার মিলের অনুমোদন আছে কি না তা আমাদের জানা নেই। গাছে ফুল-ফল কিছুই থাকছে না। কাউকে কিছু বলেও লাভ হয় না। তাই কষ্ট সহ্য করে থাকি।
নুরুন নাহার রিতা ও সানজিদা আক্তার ইশিতা জানান, বাসার কোন জানালা-দরাজা খোলা যায় না ধোঁয়া ও ছাঁইয়ের কারণে। শিক্ষার্থীরাও জানালা খোলে পড়ালেখা করতে পারে না। কালো ধোঁয়া ও ছাঁইয়ের কারণে বাসার বারান্দা বা উঠানে বাচ্চারা খেলাধূলা পর্যন্ত করতে পারে না।
এ বিষয়ে স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর শফিকুল হাছান রুবেল জানান, বিষয়টি আমিও সরেজমিন ঘুরে দেখেছি। সত্যিই জনসাধারণের ক্ষতি হচ্ছে।
চিড়ার মিল মালিক শফিক পাড়ই বলেন, আমরা বৈধ কাগজপত্র নিয়েই ব্যবসা করে আসছি। আমাদের কালো ধোঁয়া ও ছাঁই উড়ে যদি আমাদের ঘরের বাইরে যায় তাহলে আমরা বন্ধ করে দিব।
নকলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন শাহ জানান, এ বিষয়ে আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। আইনানুগভাবে পরবর্তী ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নকলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুর রহমান জানান, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি এবং সরেজমিনে ঘুরে দেখেছি। পরিবেশ অধিদপ্তরের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরিবেশ অধিদপ্তর শেরপুরের সহকারি পরিচালক রাসেল নোমান জানান, নকলা পৌর শহরের ভিতরে আবাসিক এলাকায় পরিবেশের ছাড়পত্র বিহীন চিড়ার মিল রয়েছে এবং পরিশেষ দূষণসহ সাধারণ জনগণের ক্ষতি হচ্ছে বলে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়ে সরোজমিনে পরিদর্শন করেছি। আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে এদের বিরুদ্ধে প্রয়োজীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com