1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নিষিদ্ধ সংগঠন ছাড়া সভা-সমাবেশ করার অধিকার সবার আছে : আইনমন্ত্রী বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয় ক্লাবে পরিণত করেছে বিএনপি : নাহিদ ইসলাম নুসরাত হত্যা মামলায় ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, ৪ জনের যাবজ্জীবন শেরপুরে রাইস কুকারে রান্নার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গৃহবধূর মৃত্যু ‎পাবনায় ১১৩৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৬১৬টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক আসামির গায়ের শার্ট নিয়ে নানা প্রশ্ন খুনের দায় স্বীকার, কারাগারে সিদ্ধার্থ-মুগ্ধ নালিতাবাড়ীতে নিখোঁজ দুই শিশুর মরদেহ ভেসে উঠলো পুকুরে পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা ৩২টি বিলুপ্তপ্রায় কচ্ছপ উদ্ধার

দীর্ঘদিনের বেতন বকেয়া : দুর্ভোগে নালিতাবাড়ীর ১২০ গ্রাম পুলিশ

  • আপডেট টাইম :: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০

নালিতাবাড়ী (শেরপুর) : দীর্ঘদিন যাবত স্থানীয়ভাবে প্রাপ্য রাজস্ব খাতের বেতন ও সাপ্তাহিক হাজিরার প্রায় ৮৭ লাখ টাকা বকেয়া থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার ১২০ জন গ্রাম পুলিশ।
সূত্র জানায়, নালিতাবাড়ী উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে মহল্লাদার ও দফাদার মিলে ১০জন করে মোট গ্রাম পুলিশের সংখ্যা ১২০জন। এসব গ্রাম পুলিশ সরকারীভাবে প্রাপ্য বেতনের অর্ধেক টাকা নিয়মিত পেলেও স্থানীয়ভাবে ইউনিয়ন পরিষদের আয় থেকে প্রাপ্য বাকী অর্ধেক পাচ্ছেন না ১১ মাস যাবত। ফলে প্রতিজন মহল্লারদারের বকেয়া ৩৫ হাজার ৭৫০ টাকা এবং প্রতিজন দফাদারের বকেয়া ৩৮ হাজার ৫শ টাকা। এছাড়াও প্রতি সপ্তাহের হাজিরা বাবদ ৩শ টাকা করে প্রাপ্য হলেও গত ত্রিশ মাস যাবত হাজিরার টাকা বকেয়া রয়ে গেছে। এ হিসেবে প্রতিজন গ্রাম পুলিশের হাজিরার মোট বকেয়া ৩৬ হাজার ৯শ টাকা। সবমিলে হাজিরার মোট বকেয়ার পরিমাণ ৪৪ লাখ ২৮ হাজার টাকা। অন্যদিকে মাসিক বেতন বকেয়া সবমিলে ৪৩ লাখ ১৭ হাজার ৫শ। ফলে গ্রাম পুলিশের মোট প্রাপ্য বকেয়ার পরিমাণ ৮৭ লাখ ৪৫ হাজার ৫শ টাকা।
নালিতাবাড়ী ইউনিয়নের দফাদার আতাউর রহমান জানান, গত ১১ মাস ধরে রাজস্ব খাতের অর্ধেক বেতন ও গত ত্রিশ মাসের সাপ্তাহিক হাজিরার টাকা বকেয়া থাকায় আমরা অর্থকষ্টে পড়েছি।
নন্নী ইউনিয়নের মহল্লাদার মথুরা রবিদাস জানান, প্রতিটি ইউনিয়নে রাজস্ব আদায় অন্তত ৮০ভাগ হলেও আমাদের বেতন ও হাজিরার টাকা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।
একই ইউনিয়নের দফাদার আব্দুল মতিন জানান, আমরা গরীব মানুষ। রাজস্ব আয়ের টাকা থেকে আমাদের বেতনের টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও তা দিয়ে উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড করায় দীর্ঘদিন যাবত আমরা বঞ্চিত হচ্ছি।
এদিকে বিষয়টি জেনে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহ্ফুজুল আলম মাসুম মঙ্গলবার দুপুরে গ্রাম পুলিশদের সাথে সরাসরি কথা বলেন এবং সমস্যা সমাধানে আশ্বস্ত করেন। এসময় তিনি গ্রাম পুলিশদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেন।
তিনি সময়ের বাংলার কাগজকে জানান, আমি নতুন এসেছি। গ্রাম পুলিশের বকেয়ার বিষয়টি আজই জানলাম। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করব।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com