1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর খালাতো ভাইয়ের সোয়া কোটি টাকা ছিনতাই, মূলহোতা গ্রেপ্তার বিদায়ী বক্তব্যে বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল তিন বছর পর ভ্যান চালক হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৩ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন নতুন দুই মুখ, কাল হতে পারে প্রজ্ঞাপন নকলায় খাল পুনঃখনন প্রকল্পের ৭৮ লাখ টাকা ফেরত গেল সরকারি কোষাগারে জনগণের আস্থা অর্জনে মানবিক আচরণের ওপর গুরুত্ব ময়মনসিংহের ডিআইজির শেরপুরে গণশুনানিতে ২১৯ সেবাপ্রার্থীকে সহায়তা ছাড়পত্র ছাড়াই জাহাজ কাটছিল ফেরদৌস স্টিল, জরিমানা ৫ লাখ প্যারোলে মুক্তি পেতে পারেন দীপু মনি, কারাফটকের সামনে মেয়ে ও আইনজীবী নিহতদের পাঁচজন বাংলাদেশি, চারজন একই পরিবারের সদস্য: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

ঘুম কম-বেশি হলে ফুসফুসে যে রোগ হয়

  • আপডেট টাইম :: বুধবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২০

লাইফ স্টাইল ডেস্ক : সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় পাওয়া গেছে, যেসব লোক নিয়মিত ১১ ঘণ্টার বেশি অথবা ৪ ঘণ্টার কম সময় ঘুমান তাদের অনিরাময়যোগ্য ফুসফুস রোগ পালমোনারি ফাইব্রোসিসে ভোগার ঝুঁকি বেশি।

এ গবেষণাটি প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেসে প্রকাশিত হয়। গবেষকরা বায়োলজিক্যাল ক্লক বা দেহঘড়ির সঙ্গে ফুসফুস রোগের যোগসূত্র আছে বলে মত জানিয়েছেন। এ গবেষণা এটা সাজেস্ট করছে যে, দেহঘড়ির দিকে মনোযোগ দিয়ে পালমোনারি ফাইব্রোসিসের মতো মারাত্মক ফুসফুস রোগের ঝুঁকি কমানো যাবে।

যুক্তরাজ্যের দ্য ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটসে কর্মরত এ গবেষণার প্রধান লেখক জন ব্লেকলি বলেন, ‘পালমোনারি ফাইব্রোসিস হচ্ছে ফুসফুসের একটি ধ্বংসাত্মক রোগ, যার নিরাময় বর্তমানে নেই। কিন্তু আমাদের এ গবেষণা আশাবাদী করেছে যে, দেহঘড়ির সঙ্গে পালমোনারি ফাইব্রোসিসের যোগসূত্র ভবিষ্যতে এ রোগের চিকিৎসা উদ্ভাবন অথবা প্রতিরোধে নতুন পথ দেখাবে।’

তিনি আরো জানান, ‘পালমোনারি ফাইব্রোসিস ও ঘুমের স্থায়িত্বের মধ্যে এ যোগসূত্রের প্রকৃত কারণ বুঝতে অথবা এটার ওপর ভিত্তি করে কার্যকর চিকিৎসা উদ্ভাবন করতে আরো গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। আরো গবেষণার ফলাফল দেখে আমরা নিশ্চিত হতে পারব যে প্রতিদিন কি পরিমাণে ঘুমালে এ বিধ্বংসী রোগের প্রভাব কমানো যাবে।’

আমাদের অভ্যন্তরীণ দেহঘড়ি ২৪ ঘন্টার চক্রে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় মানব শরীরের প্রায় প্রত্যেক কোষকে নিয়ন্ত্রণ করে, যেমন- ঘুম, হরমোন নিঃসরণ ও বিপাক। এ ঘড়ির প্রধান অবস্থান হচ্ছে এয়ারওয়েতে। কিন্তু এ গবেষণায় দেখা গেছে যে, পালমোনারি ফাইব্রোসিসের রোগীদের দেহঘড়ির আবর্তন অ্যালভিওলাই নামক ছোট এয়ার স্পেসেও ছড়িয়ে পড়ে। ইঁদুরের ওপর পরিচালিত গবেষণায় পাওয়া গেছে, দেহঘড়ির মেকানিজমের এ পরিবর্তনে ফাইব্রোটিক প্রসেস ব্যাহত হতে পারে- যার ফলে পালমোনারি ফাইব্রোসিসের ঝুঁকি উপরের দিকে ওঠতে পারে। তারপর গবেষকরা ইউকে বায়োব্যাংকের মানব উপাত্ত বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্তে আসেন যে, অত্যধিক ঘুম ও অত্যল্প ঘুম উভয়ের সঙ্গে পালমোনারি ফাইব্রোসিসের যোগসূত্র রয়েছে।

ঘুমের স্থায়িত্ব ও পালমোনারি ফাইব্রোসিসের মধ্যকার যোগসূত্র এ রোগের অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়ের মতো সমান শক্তিশালী বলে মনে করা হচ্ছে। যেসব লোক নিয়মিত ৪ ঘণ্টা বা এর কম সময় ও ১১ ঘণ্টা বা এর বেশি সময় ঘুমিয়েছেন তাদের পালমোনারি ফাইব্রোসিসের ঝুঁকি প্রতিদিন ৭ ঘন্টা ঘুমিয়েছেন এমন লোকদের তুলনায় যথাক্রমে দ্বিগুণ ও তিনগুণ বেশি ছিল। গবেষণার এ ফল এটা বলছে যে, কম ঘুমের চেয়ে বেশি ঘুমে পালমোনারি ফাইব্রোসিসের ঝুঁকি বেশি। এছাড়া যারা বেশি রাত জাগেন অথবা শিফট ভিত্তিক কাজ করেন তাদেরও এ বিধ্বংসী রোগের বাড়তি ঝুঁকি রয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com