1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৪৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নালিতাবাড়ীতে এমপির ১৫০০ গাছের চারা বিতরণ ঝিনাইগাতীতে বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধ, বেকার হাজারো শ্রমিক মিয়ানমারে স্থলমাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশির মৃত্যু সবাইকে নিয়েই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ঝাঁপ দিতে হবে: সিইসি বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলে খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস নয়: প্রধানমন্ত্রী নিষিদ্ধ সংগঠন ছাড়া সভা-সমাবেশ করার অধিকার সবার আছে : আইনমন্ত্রী বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয় ক্লাবে পরিণত করেছে বিএনপি : নাহিদ ইসলাম নুসরাত হত্যা মামলায় ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, ৪ জনের যাবজ্জীবন শেরপুরে রাইস কুকারে রান্নার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গৃহবধূর মৃত্যু

বালু ব্যবসায়ীদের নগ্ন থাবায় অস্তিত্ব সংকটে ক্ষতবিক্ষত ভোগাই

  • আপডেট টাইম :: বৃহস্পতিবার, ১৮ মার্চ, ২০২১

নালিতাবাড়ী (শেরপুর): বেপরোয়া বালু ব্যবসায়ীদের নগ্ন থাবায় অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে ক্ষতবিক্ষত শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার পাহাড়ি নদী ভোগাই। গুটিকয়েক ব্যবসায়ীর জন্য খননযন্ত্রের বিকট শব্দে রাতের ঘুম হারাম হাজারো মানুষের। তবে ঘুম ভাঙছে না যথাযথ কর্তৃপক্ষের। ফলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে জনমনে।
প্রতিবছর নদীটির বিভিন্ন অংশ জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বালু মহাল হিসেবে ইজারা দেওয়া হয়। ফলে নদীর ইজারাকৃত বৈধ অংশের পাশাপাশি নিষিদ্ধ স্থানসমূহে চলে বালু উত্তোলনের নামে নাব্যতা ও প্রকৃতি ধ্বংসের মহোৎসব। চলতি মৌসুমে উত্তোলনযোগ্য বালু তো দূরের কথা নাব্যতা ধরে রাখার মতো বালুও অবশিষ্ট নেই ভোগাইয়ে। তবুও প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে যত্রতত্র চলছে বালু লুটের মহোৎসব। নানামুখী প্রতিবাদের মুখে প্রশাসন তৎপর হলেও এবার কৌশল পাল্টেছে কতিপয় বালু লুটেরা। রাত গভীর হলে নদীটির ‘নয়াবিল ডাক্তার গোপ’ নামক স্থানে খননযন্ত্রগুলো সরব হয়ে ওঠছে বিকট শব্দে। একই অবস্থা আরও দু-তিনটি স্থানে। সকাল হলে খনন যন্ত্রগুলো ঘুমিয়ে পড়ছে। ফলে ওই এলাকার নদী তীরবর্তী অন্তত ৪-৫টি গ্রামের হাজারো মানুষের ঘুম হারাম হয়ে গেছে রাতের বেলায়। তবে ঘুম ভাঙছে না যথাযথ কর্তৃপক্ষের। গত কয়েকদিন যাবত গণমাধ্যমকর্মীসহ এলাকাবাসী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ বিষয়ে লেখালেখি এমনকি মোবাইল ফোনে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলেও ঘুম ভাঙছে না কর্তৃপক্ষের।

অন্যদিকে নদী তীরঘেঁষা আশপাশের ফসলি জমিগুলো অপরিকল্পিতভাবে খুঁড়ে ফেলায় অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে ভোগাই। এলাকাবাসী ও পরিবেশবাদীরা বলছেন, ভোগাইয়ে এখন বালু বলতে কিছু নেই। নদীর তীরবর্তী জমি খুঁড়ে ও নদীর তলদেশ বোরিং করে ভূ-গর্ভস্থ বালু উত্তোলন করে এখন চলছে প্রকৃতি ও পরিবেশ ধ্বংসের নগ্ন নৃত্য। এমতাবস্থায় ভোগাই নদীকে বালু মহাল হিসেবে সরকারীভাবে ইজারা প্রদান বন্ধ ও আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে পরিবেশ আইনে মামলাসহ কঠোর আইনী প্রয়োগ না হলে কোনভাবেই নদী ও প্রকৃতি রক্ষা করা সম্ভব হবে না।
ঘটনাস্থল থেকে দুই কিলোমিটার দূরে থাকা মানুপাড়া গ্রামের লতিফুল ইসলাম বকুল নামে একজন তার ফেসবুকে লিখেছেন ‘রাত ৩:২০। ভোগাই নদীর বালু উত্তোলনকারী মেশিনের শব্দের জন্য ঘুম আসছে না। আল্লাহ্ নদীর আশেপাশের মানুষদের রহমত করো।’
আসিফ আহমেদ নামে একজন লিখেছেন ‘উপজেলা প্রশাসনকে জানিয়েও কোন লাভ হয়নি।’ তিনি প্রশাসনকে জানানোর একটি স্ক্রীণ শটও ফেসবুকে শেয়ার করেছেন।
মারফত আলী মারুফ নামে একজন লিখেছেন ‘ ইজারা বাতিল করে হলেও ভোগাই নদীর বালু উত্তোলন বন্ধ করতে হবে।’
মোঃ শাহজালাল নামে একজন লিখেছেন ‘সারা রাত ঘুমাতে পারি না। কাকে বললে সমাধান হবে তাও বুঝতেছি না। তারা বলে প্রশাসন নাকি তাদের সাথে আছে। কি করলে এই বিপদ থেকে রক্ষা পাবো?’
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হেলেনা পারভিন জানান, বিষয়টি জানা আছে। রাতের বেলায় বালু উত্তোলন বে-আইনী। অবশ্যই আমরা এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেব।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com