1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৪৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নালিতাবাড়ীতে এমপির ১৫০০ গাছের চারা বিতরণ ঝিনাইগাতীতে বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধ, বেকার হাজারো শ্রমিক মিয়ানমারে স্থলমাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশির মৃত্যু সবাইকে নিয়েই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ঝাঁপ দিতে হবে: সিইসি বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলে খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস নয়: প্রধানমন্ত্রী নিষিদ্ধ সংগঠন ছাড়া সভা-সমাবেশ করার অধিকার সবার আছে : আইনমন্ত্রী বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয় ক্লাবে পরিণত করেছে বিএনপি : নাহিদ ইসলাম নুসরাত হত্যা মামলায় ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, ৪ জনের যাবজ্জীবন শেরপুরে রাইস কুকারে রান্নার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গৃহবধূর মৃত্যু

ঝিনাইগাতীতে নির্মাণের দুই মাসেই ভেঙে পড়েছে দশ লাখ টাকার সড়ক

  • আপডেট টাইম :: রবিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২১

মোহাম্মদ দুদু মল্লিক, স্টাফ রিপোর্টার : নির্মাণের প্রায় দুই মাসের মাথাতেই ধ্বসে যাচ্ছে প্রায় দশ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সিসি ঢালাই সড়ক। প্রয়োজনের তুলনায় নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার না করায় এবয় এবং রাস্তা প্রটেকশনের জন্য প্রয়োজনীয় মাটি না দেয়ায় এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করেন স্থানীয়রা। এমন ঘটনা শেরপুরের ঝিনাইগাতি উপজেলার গৌরিপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডস্থ জিগাতলা গ্রামে।
জানা গেছে, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট (এলজিএসপি-৩) এর আওতায় গৌরীপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের আব্দুর রেজ্জাকের বাড়ি হতে জিগাতলা প্রাইমারী স্কুল ও দাখিল মাদরাসা পর্যন্ত ২৫০ ফুট সিসি ঢালাই রাস্তাটি প্রায় ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় প্রায় দুই মাস আগে। গৌরীপুর ইউপি সদস্য নাছিমা বেগম ওই প্রকল্পের সভাপতি।
অভিযোগ রয়েছে, রাস্তাটির ওপর দিয়ে জনগণ চলাচল শুরু করার এক-দেড় মাসের মধ্যেই ভাংতে শুরু করে। রাস্তাটি নির্মাণের শুরু থেকেই এলাকাবাসী নি¤œমানের কাজের অভিযোগ তোলেন। তারা জানান, রাস্তাটি নির্মাণে পরিমাণের চেয়ে কম রড, খোয়া ও সিমেন্ট ব্যবহার করায় দুই মাস না পেরুতেই এটি ভেঙে গেছে। এছাড়াও রাস্তার দুইপাশে ফসলি জমি থাকায় প্রয়োজনীয় মাটি না দেওয়া তথা সোল্ডারিং না করায় রাস্তাটি এ বেহাল দশা শুরু হয়েছে। তারা জানান, মাত্র ২৫০ ফুট দৈর্ঘের একটি রাস্তায় প্রায় দশ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হলেও মূলত প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে পকেট ভারি করতেই নি¤œমানের দায়সাড়া কাজ করা হয়েছে। যার দরুণ আজকের এই পরিণতি। এমতাবস্থায় এলাকাবাসী বিষয়টি তদন্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়েছেন।
প্রকল্পের সভাপতি ইউপি সদস্য নাছিমা বেগম মুঠোফোনে জানান, আসলে এ কাজে নামমাত্র সভাপতি ছিলাম। চেয়ারম্যান সাহেব কাজটি করেছেন।
এ বিষয়ে গৌরীপুর ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান মন্টুর সাথে কয়েক দফায় ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com