1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৪৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নালিতাবাড়ীতে এমপির ১৫০০ গাছের চারা বিতরণ ঝিনাইগাতীতে বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধ, বেকার হাজারো শ্রমিক মিয়ানমারে স্থলমাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশির মৃত্যু সবাইকে নিয়েই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ঝাঁপ দিতে হবে: সিইসি বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলে খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস নয়: প্রধানমন্ত্রী নিষিদ্ধ সংগঠন ছাড়া সভা-সমাবেশ করার অধিকার সবার আছে : আইনমন্ত্রী বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয় ক্লাবে পরিণত করেছে বিএনপি : নাহিদ ইসলাম নুসরাত হত্যা মামলায় ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, ৪ জনের যাবজ্জীবন শেরপুরে রাইস কুকারে রান্নার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গৃহবধূর মৃত্যু

মনিরামপুর-কুলটিয়া সড়কের বেহাল দশা: দুই বছরেও শেষ হয়নি সংস্কার

  • আপডেট টাইম :: রবিবার, ২ মে, ২০২১
যশোর: যশোরের মণিরামপুর বাজার-কুলটিয়া সড়কটির সংস্কার কাজ দুই বছর আগে শুরু হলেও এখনো শেষ হয়নি। ইটের খোয়া দেওয়ার পর পিচ না দিয়ে কাজ ফেলে রেখেছেন ঠিকাদার। দীর্ঘদিন এভাবে রাস্তা পড়ে থাকায় বড়বড় খোয়া উঠে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। রাস্তা ভেঙে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে কয়েক জায়গায়। খোয়া ভেঙে ধুলোয় পরিনত হওয়ায় দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে রাস্তার দুইধার। দুই বছর ধরে রাস্তাটির বেহাল দশা হলেও সেদিকে নজর নেই সংশ্লিষ্টদের।
মণিরামপুর-কুলটিয়া ভায়া মাছনা সড়কটির দৈর্ঘ্য ১২ কিলোমিটার। পূর্বের পিচ নষ্ট হওয়ায় পুননির্মানের জন্য রাস্তাটি দুইভাগে বিভক্ত করে ২০১৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি কার্যাদেশ জারি করেন জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী। ৬ কোটি ৬৯ লাখ টাকা ব্যয়ে মণিরামপুর থেকে বাগডাঙা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত ৭ কিলোমিটার রাস্তা পুননির্মাণের কাজ পান যশোরের ঠিকাদার জহুরুল ইসলাম। সেখান থেকে মশিয়াহাটী পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটারের কাজ পান অন্য ঠিকাদার। ওই সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি কাজ শুরু করে চারমাস সময় নিয়ে ২৮ জুন শেষ করার কথা ছিল। বাগডাঙা স্কুল থেকে মশিয়াহাটী পর্যন্ত রাস্তার কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হলেও বিপত্তি ঘটে মণিরামপুর থেকে বাগডাঙা স্কুল পর্যন্ত ৭ কিলোমিটার সড়কের কাজে। ঠিকাদার জহুরুল ইসলাম কাজ শেষ না করে ফেলে রেখেছেন দুই বছর। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন সড়কটিতে চলাচলকারী পথচারীরা।
আটপাখিয়া গ্রামের থ্রি হুইলার চালক আব্বাস উদ্দিন বলেন, আমি এই রাস্তায় গাড়ি চালাই। বড়বড় খোয়া উঠায় চলাচল করা যাচ্ছে না। গাড়ির টায়ার ও বডি নষ্ট হচ্ছে। প্রায়ই গাড়ি গ্যারেজে নিতে হচ্ছে। যা আয় হয় গাড়ির পিছনে খরচ করে বাড়ি নেওয়া যায় না। কারো নজর এদিকে নেই।
স্বরুপদাহ গ্রামের সাধনা ঔষধলয় কবিরাজ মহিউদ্দীন বলেন, আমার বাড়ির পাশে ধুলায় বুজে যায় এবং আমি সকাল-বিকাল রাস্তায় মটরের পানি দিয়ে ভিজায় দিয়। তাতে মাসে ১২-১৩শ’ টাকার বিদ্যুৎ বিল আসে এবং কয়েক জায়গায় ভেঙেও গেছে। ট্রাক চলাচল করলে ইটের ধুলোয় আশপাশের বাড়ি ভরে যাচ্ছে। রাস্তার পাশের বাড়ির মানুষ খুব কষ্টে আছেন। ইটের ধুলো থেকে বাঁচতে দিনে দুইবার রাস্তায় পানি দিতে হচ্ছে। তাতেও রক্ষা হচ্ছে না।
রাস্তার কাজ দেখভালের দায়িত্বে থাকা উপ-সহকারী প্রকৌশলী গাউসুল আজম বলেন, বারবার ঠিকাদারকে চিঠি দেওয়া হচ্ছে। কাজ ধরবে বলে ঠিকাদার প্রতিবার কথা দিচ্ছেন। কিন্তু কাজ করছেন না।
জানতে চাইলে ঠিকাদার জহুরুল ইসলাম বলেন, আর্থিক সমস্যা ছিল। করোনার জন্য একবছর কাজ বন্ধ রাখতে হয়েছে। একমাসের মধ্যে কাজ শুরু করব। মণিরামপুর উপজেলা প্রকৌশলী সানাউল হক বলেন, আমি নতুন এসেছি। এ ব্যাপারে কিছু বলতে পারছি না। খোঁজ নিয়ে দেখছি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com