1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৪৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নালিতাবাড়ীতে এমপির ১৫০০ গাছের চারা বিতরণ ঝিনাইগাতীতে বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধ, বেকার হাজারো শ্রমিক মিয়ানমারে স্থলমাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশির মৃত্যু সবাইকে নিয়েই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ঝাঁপ দিতে হবে: সিইসি বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলে খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস নয়: প্রধানমন্ত্রী নিষিদ্ধ সংগঠন ছাড়া সভা-সমাবেশ করার অধিকার সবার আছে : আইনমন্ত্রী বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয় ক্লাবে পরিণত করেছে বিএনপি : নাহিদ ইসলাম নুসরাত হত্যা মামলায় ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, ৪ জনের যাবজ্জীবন শেরপুরে রাইস কুকারে রান্নার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গৃহবধূর মৃত্যু

কলাপাড়ায় বালিয়াতলী খেয়াঘাটে টোল আদায়ের নামে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি

  • আপডেট টাইম :: মঙ্গলবার, ৪ মে, ২০২১

রাসেল কবির মুরাদ, কলাপাড়া (পটুয়াখালী) : কলাপাড়ায় আলোচিত বালিয়াতলী খেয়া পারাপারে নির্দেশিত টোল চার্ট উপেক্ষা করে যান্ত্রিক নৌকায় জনপ্রতি ৪ টাকার পরিবর্তে ১০টাকা, মোটরসাইকেল ১০ টাকার পরিবর্তে ৪০ টাকা, অটোরিক্সা-ভ্যান ৬ টাকার পরিবর্তে খালি ও পণ্য বোঝাই প্রতি ১০০-১০০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। এছাড়া বাইসাইকেল, ছাগল, ভেড়া, গরু, মহিষ ও অন্যান্য মালামাল পারাপারে ইচ্ছেমত টাকা আদায় করা হচ্ছে। বালিয়াতলী খেয়াঘাটে প্রকাশ্যে চলছে এ চাঁদাবাজি। নেপথ্যে রয়েছে প্রভাবশালী নেতা এবং তার পেছনে খুঁটি হিসেবে রয়েছে একজন প্রভাবশালী আমলা। যার দরুণ খেয়া পারাপারের এ চাঁদাবাজি বন্ধে জনতার অভিযোগ, আবেদন, স্মারকলিপি কিংবা মানববন্ধন কোনটাই কাজে আসছে না।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলোচিত এ খেয়াটি এবার ইজারাদার নিয়োগ না দিয়ে সরকারী খাস কালেকশনে নেয়ায় প্রায় কোট টাকা রাজস্ব বঞ্চিত হয়েছে সরকার। ১৪২৭ সালে খেয়াটির দরপত্র আহবানে ৮৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার দরপত্র জমা পড়লেও ১৪২৮ সালে রহস্যজনকভাবে দু’বার একটি দরপত্র না পড়লেও তৃতীয় দরপত্র আহবানে জমা পড়ে ৯ লাখ টাকার ইজারা দরপত্র। অতঃপর পরিকল্পিতভাবে খেয়াটি খাস কালেকশনে নেয় প্রভাবশালী আমলা। যাতে আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে খেয়া ঘাটের টোল আদায়কারীরা।
অথচ জনগণকে জিম্মি করে খাস কালেকশনে আদায়কৃত অর্থের সঠিক কোন হিসেব নেই। যার সিকিভাগ সরকারী কোষাগারে জমা পড়লেও সিংহভাগ যাচ্ছে কয়েকজনের পকেটে। এতে টোল আদায়ের নামে চাঁদাবাজি বন্ধ হচ্ছে না কোন কিছুতেই। সম্প্রতি মোস্তফা জামান সুজন নামের একজন সাংস্কৃতিক কর্মী তার ফেসবুক আইডিতে টোল আদায়ের নামে এ চাঁদাবাজির সাথে জড়িতদের নামসহ প্রকাশ্যে এ চাঁদাবাজি বন্ধের জন্য স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, দীর্ঘদিন যাবত এর প্রতিকার চাইলেও ফলাফল শূন্য। টোল নিয়ে কথা বললেই লাঞ্চিত হন যাত্রীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এ প্রতিবাদ কোন কাজে না আসায় গত ২ মে রবিবার তিনি ইউএনও কলাপাড়াকে বিষয়টি লিখিতভাবে জানিয়ে প্রতিকার চেয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এখানে চলে কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রিত কালেকশন। কিন্তু চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি। গড়ে প্রতিদিন যদি ২০০ মোটরসাইকেল পারাপার হয় এ পথে। তাতে খাস কালেকশনে আদায় হচ্ছে প্রতিদিন চার হাজার টাকা। মাসে এক লাখ ২০ হাজার। বছরে ১৪ লক্ষাধিক টাকা শুধু মোটরসাইকেল ভাড়া। এরপর মানুষ পারাপার, বাইসাইকেল, ছাগল, ভেড়া, গরু, মহিষ ও অন্যান্য মালামাল পারাপার তো আছেই।
উপজেলা প্রশাসন সবসময় বলে থাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। শুধু বালিয়াতলী খেয়াঘাটে নয়, সব ক’টি খেয়াঘাটেই এখন অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। যেন খেয়া ঘাটে চলছে চাঁদাবাজির মহোৎসব।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com