1. admin@banglarkagoj.net : admin :
  2. monirsherpur1981@gmail.com : banglar kagoj : banglar kagoj
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
অনলাইনে টিকিট কালোবাজারি হয়, এভাবে বলার সুযোগ কম: রেলমন্ত্রী নেত্রকোণায় ভূমি অধিগ্রহণ শাখা পরিদর্শন, স্বচ্ছতায় জোর শেরপুরে স্কুল ছাত্রী রিশাকে দায়িত্ব ও সচেতনতার জন্য পুরস্কার দিলেন ডিসি পল্টনের পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে ছাত্রশিবিরের পোস্টারিং জাতীয় ছাত্রশক্তির শেরপুর জেলা কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ যৌন হয়রানির মিথ্যা মামলা করে নিজেই কারাগারে বাদী ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযান মালিকদের জন্য সুখবর নালিতাবাড়ীতে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, থানায় মামলা বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে জাপানের প্রধানমন্ত্রী ধারাবাহিকভাবে ভূমিকা রেখেছেন

কর্ম হারিয়ে রাস্তায় বসে কচু বিক্রি করেন স্কুলশিক্ষক!

  • আপডেট টাইম :: বৃহস্পতিবার, ১৩ মে, ২০২১

নকলা (শেরপুর) : একসময় যে স্কুল শিক্ষকের অধীনে ১১জন শিক্ষক পাঠদান করিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। মহামারী করোনার প্রভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় কর্মহীন হয়ে তিনি এখন রাস্তায় বসে বিক্রি করেন কচু। বলছি, শেরপুরের নকলা পৌরসভার বেবি কেয়ার স্কুলের প্রধান আব্দুল জলিলের কথা।
নকলা পৌরসভার গেইট সংলগ্ন বেবি কেয়ার নামে প্রাইভেট স্কুল ছিল এই শিক্ষকের। প্লে থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদান চলতো ওই স্কুলে। ছিল শিশু শিক্ষার্থীদের কোলাহল। তার অধীনে ছিল ১১জন শিক্ষক। যারা ওই স্কুলে পাঠদান করিয়ে নিজেদের কর্ম খুঁজে পেয়েছিলেন। কিন্তু গেল বছর থেকে অদ্যাবধি কিন্ডারগার্টেন স্কুলটি বন্ধ থাকায় করুণ পরিণতি পাড় করতে হচ্ছে জলিল মাস্টারের। তার মতো এ উপজেলায় শতাধিক কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষকের অবস্থাও একই।
দীর্ঘদিন যাবত স্কুল বন্ধ থাকায় জলিল মাস্টার অন্যের ২০ শতাংশ জমিতে কচু চাষ করেছেন। বর্তমানে ওই কচু বিক্রি করে সপ্তাহে আয় হয় ৫-৬শ টাকা। এ সামান্য আয় দিয়েই কোনমতে চলছে তার ৫ সদস্যের সংসার।
করোনায় জলিল মাস্টার সংসার চালাতে গিয়ে এরই মধ্যে ২ লাখ টাকা ঋণের বোঝা টানছেন। বাসা ভাড়া ও বিদুৎ বিল বকেয়া পড়ে আছে প্রায় ১ বছর ধরে। এরই মধ্যে নষ্ট হয়ে গেছে স্কুলের বেশিরভাগ আসবাবপত্র। বাধ্য হয়ে অনেকেই জলিল মাস্টারের মতো শিক্ষকতা পেশা পরিবর্তন করে অন্য পেশা বেছে নিয়েছেন।
জলিল মাস্টার জানান, গেল বছর সরকারের পক্ষ থেকে মাত্র ৫শ টাকা অনুদান পেয়েছিলেন। আর কোন সহায়তা তিনি পাননি। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, সরকার বেসরকারি স্কুল-কলেজের প্রায় ১ লাখ শিক্ষককে ৫ হাজার ও কর্মচারীদের আড়াই হাজার টাকা অনুদান প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু এতো কষ্টের মাঝেও সুখবর নেই কিন্ডারগার্টেন স্কুল শিক্ষকদের।
এ বিষয়ে নকলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুর রহমান জানান, করোনায় কর্মহীন বেসরকারী স্কুল-কলেজ ও কিন্ডারগার্ডেন শিক্ষকদের অবস্থা খুবই করুণ। গেল বছর সরকারের পক্ষ থেকে অনুদান পেয়েছিলেন হাতেগোনা কয়েকজন। এমতাবস্থায় বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com