1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নালিতাবাড়ীতে এমপির ১৫০০ গাছের চারা বিতরণ ঝিনাইগাতীতে বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধ, বেকার হাজারো শ্রমিক মিয়ানমারে স্থলমাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশির মৃত্যু সবাইকে নিয়েই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ঝাঁপ দিতে হবে: সিইসি বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলে খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস নয়: প্রধানমন্ত্রী নিষিদ্ধ সংগঠন ছাড়া সভা-সমাবেশ করার অধিকার সবার আছে : আইনমন্ত্রী বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয় ক্লাবে পরিণত করেছে বিএনপি : নাহিদ ইসলাম নুসরাত হত্যা মামলায় ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, ৪ জনের যাবজ্জীবন শেরপুরে রাইস কুকারে রান্নার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গৃহবধূর মৃত্যু

থানচিতে ম্যালেরিয়ার প্রাদুর্ভাব

  • আপডেট টাইম :: রবিবার, ৬ জুন, ২০২১

এন এ জাকির, বান্দরবান : বান্দরবানের দূর্গম থানচিতে ডায়রিয়া রোগের পর এবার দেখা দিয়েছে ম্যালেরিয়া রোগোর প্রাদুর্ভাব। সহজ যাতায়ত ব্যবস্থা না থাকায় ও নেটওয়ার্ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারনে দূর্গম পাহাড়ি এলাকায় চিকিৎসা সেবা ও ওষুধপত্র পৌছানো দূরহ ব্যপার এবং রোগীদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসাও কষ্টসাধ্য। তাই বাধ্য হয়ে রোগীরা বনেজী ওষুধ খেয়ে বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছে।
জানা গেছে, থানচি উপজেলার দূর্গম তিন্দু ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের কয়েকটি পাড়া, ফোসাউ কারবারীপাড়া এবং থানচি সদর ইউনিয়নের টুকাটং পাড়াসহ বেশ কয়েকটি পাড়ার অনেকে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বর্ষা মৌসুমে মশার উপদ্রপ বেশি হওয়া এবং অনেক পরিবারে মশারি না থাকায় মশার কামড়ে ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। গত এক সপ্তাহে থানচি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ২০ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। অনেকে যাতায়াতের অভাবে হাসপাতালে আসতে পারেনি।
রেমাক্রী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুইশৈথুই মারমা জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে আমাদের ইউনিয়নের বড় মদক এলাকা, প্রু সাঅং কারবারী পাড়ার ৭-৮জন ও ছোট মদক সাখয়উ কারবারী পাড়ার ৭-৮ জন প্রথমে সামান্য জ্বরে ভোগলেও পরে জানা যায় তারা ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত। এদের মধ্যে অনেককে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।
থানচি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান মুরাদ বলেন, বর্ষা মৌসুমে মশার উপদ্রপ বেশি। পাহাড়ে মানুষ জুমে কাজ করে। সেখানে অনেক মশা-মাছি কামড় দিতে পারে। তাছাড়াও বাড়িতে কামড় দিতে পারে। সে জন্য ম্যালেরিয়া দেখা দিয়েছে। আমাদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনেকে ভর্তি আছে। তাদের চিকিৎসা সেবা দিচ্ছি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com