1. admin@banglarkagoj.net : admin :
  2. monirsherpur1981@gmail.com : banglar kagoj : banglar kagoj
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মেয়র থেকে শাহাদাত এবার চট্টগ্রাম সিটির প্রশাসক কোনো অনুদান নয়, জলবায়ু তহবিলে প্রাপ্য অধিকার চান চিফ হুইপ ই-টিন আছে, রিটার্ন জমা না দেওয়ায় ৫ হাজার টাকা জরিমানা: যা বলছে এনবিআর ও আয়কর আইন প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হয়ে জাপান যাচ্ছেন তারেক রহমান ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকা–দাম্মাম ও রিয়াদ রুটে বিমানের ফ্লাইট স্থগিত বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর ৮০ হাজার মানুষ চাকরি হারিয়েছে: কর্নেল অলি বিএনপি নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের ভোট ভিক্ষা চেয়েছেন: জামায়াতের আমির টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর সাইবার হামলার শিকার জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট উদ্ধার করা ১ লাখ পিস ইয়াবা ‘গায়েব করে দিলেন’ তিনি!

ধারায় গাঙ্গিনা নদীর পাড়ে ধস, হুমকির মুখে ফসলি জমি

  • আপডেট টাইম :: শনিবার, ১২ জুন, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার: সীমান্তবর্তী হালুয়াঘাট উপজেলার ধারা ও কৈচাপুর ইউনিয়নের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া গাঙ্গিনা নদীটির ধারা ইউনিয়নের বানিয়াকান্দা অংশে নদী পাড়ের রাস্তা ভেঙে বড় খাদের সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে বন্ধ হয়ে গেছে কুতিকুড়া, কুতুরা ও মকিমপুর নগুয়াসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের সঙ্গে বানিয়াকান্দা গ্রামের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা। পাশাপাশি চলতি আমন মৌসুমে নদীর পাড় মেরামত করা না হলে বন্যার পানিতে ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নদী পাড়ের রাস্তাটি এ এলাকার মানুষের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আবাদি ফসলসহ চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি ভেঙে যাওয়ায় দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের। অতি দ্রুত মেরামত না করা হলে নদীগর্ভে চলে যাবে শতশত একর জমি। ভাঙা অংশটির পাশেই রয়েছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও জামে মসজিদ। বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির জন্য বিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও বিদ্যালয় খোলা হলে বিপাকে পড়বে শিক্ষার্থীরা।
এ ছাড়াও নদী পাড়ের মানুষের যাতায়াতের প্রধান রাস্তা এটি। প্রতিদিনই একটু একটু করে ভাঙছে সড়ক। গত কয়েকদিনের বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী মানুষগুলো দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ইতিপূর্বে এই জায়গায় কোন নদীভাঙন ছিল না। এই এলাকার সমগ্র ফসলি জমির পানি নদীতে যাওয়ার জন্য এখানে ড্রেন ও রাস্তার নিচ দিয়ে পাইপের মাধ্যমে ব্যবস্থা করা হয়। সেখান থেকেই ভাঙ্গনের শুরু। যা ভেঙে ভেঙে রাস্তায় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
কৃষক তফাজ্জল হোসেন জানান, বাঁধ ভেঙ্গে পানির স্্েরাতে আবাদি ভূমির সবটুকু চলে যেতে পারে নদীর পেটে। এ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়ছি। এসময় ভাঙন ঠেকাতে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
অপর কৃষক নাজমুল ইসলাম বলেন, প্রতি বছরের মতো এ বছরও জমিতে চাষবাদের আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। নদীর ভাঙনে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে নদীর পানি ফসলি জমিতে উঠে যাবে। এতে করে নষ্ট হতে পারে হাজার হাজার হেক্টর ফসলি জমি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুস সোবহান বলেন, নদী পাড়ের রাস্তাটির ভাঙ্গনের বিষয়ে আমাকে স্থানীয়রা বলেছেন। আমি চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলেছি। এখন আমাদের কোন প্রকল্প নেই। তারপরও আমরা চেষ্টা করছি।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আলাল উদ্দিন বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। আমাকে কেউ বলেনি। এ বছর যেহেতু আমাদের আর প্রকল্প নেই। তাই সরেজমিনে পরিদর্শন করে রাস্তাটি আগামী অর্থ বছরের শুরুর দিকে সংস্কার করা হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com