1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেড় বছর পর রাসেল মিয়া হত্যা রহস্য উদঘাটন, আদালতে আসামির স্বীকারোক্তি শেরপুরে পশুখাদ্য প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা শেরপুরে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ নালিতাবাড়ীতে এমপির ১৫০০ গাছের চারা বিতরণ ঝিনাইগাতীতে বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধ, বেকার হাজারো শ্রমিক মিয়ানমারে স্থলমাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশির মৃত্যু সবাইকে নিয়েই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ঝাঁপ দিতে হবে: সিইসি বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলে খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস নয়: প্রধানমন্ত্রী নিষিদ্ধ সংগঠন ছাড়া সভা-সমাবেশ করার অধিকার সবার আছে : আইনমন্ত্রী বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী : ঢলের পানিতে ভেসে গেল সাড়ে চার কোটি টাকার সড়ক

  • আপডেট টাইম :: রবিবার, ১১ জুলাই, ২০২১

মোহাম্মদ দুদু মল্লিক, ঝিনাইগাতী (শেরপুর) : নিম্নমানের কাজের ফলে নির্মাণের মাত্র পাঁচ মাসেই পাহাড়ি ঢলে ভেসে গেছে শেরপুরের ঝিনাইগাতি উপজেলায় নির্মাণাধীন প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকার এলজিইডি’র সড়ক।
জানা গেছে, উপজেলার আহাম্মদনগর-মোহনগঞ্জ সড়কের গজারমারী ব্রীজ সংলগ্ন সড়কটি নির্মাণের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ৪ কোটি ৬৬ লাখ টাকা বরাদ্দে কার্যাদেশ দেয় আব্দুল মান্নান সোহান নামে এক ঠিকাদারকে। চলতি বছরের শুরুতে ঠিকাদার আব্দুল মান্নান ওই সড়কের নির্মাণকাজ শুরু করেন। তবে শুরুতেই প্রশ্ন ওঠে কাজের মান নিয়ে। নিম্নমানের ভাঙাচোড়া ইট দিয়ে রাস্তার দুই পাশে নিচের অংশে সুরক্ষা দেওয়াল বা গাইড ওয়াল নির্মাণ করা হয়। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ও পরিমাণের চেয়ে কম সিমেন্ট ব্যবহার করে বন্যার পানি থেকে রাস্তাকে সুরক্ষা দিতে তৈরি করা হয় সিসি ব্লক। এছাড়াও রাস্তার এইজিংয়ের বিকল্প দুই পাশে দশ ইঞ্চি ইটের গাঁথুনিতেও খারাপ করে কাজের মান। এমতাবস্থায় স্থানীয়রা প্রতিবাদ করলেও কর্ণপাত করেনি ঠিকাদার। একপর্যায়ে গত ১৩ ফেব্রুয়ারী ঝিনাইগাতীর জনৈক সংবাদকর্মী ওই কাজের মান সরেজমিনে যাচাই করতে গেলে ঠিকাদার আব্দুল মান্নান অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং থোরাই কেয়ার করেন। বিষয়টি তখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে। এরপরও কর্তৃপক্ষের টনক নড়েনি। ফলে নিজের ইচ্ছেমত কাজ চালিয়ে যান ঠিকাদার।
এদিকে সড়কের কাজ শেষ হওয়ার আগেই গত ২৯ জুন বুধবার পাহাড়ি ঢল নামে। ঢলের পানিতে ওই সড়কের উপরের অংশে দুই পাশের গাইড ওয়াল ও দুই পাশের সিসি ব্লক পানিতে ভেসে যায়। বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে রাস্তার দুই পাশে নিচে থাকা গাইড ওয়াল।
এলাকাবাসী জানান, সড়কের কাজে ব্যবহৃত উপকরণগুলো ছিল নিম্নমানের। উপকরণ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও পরিমাণ ঠিক রাখা হয়নি। ফলে সামান্য পানির তোড়েই সড়কটি বিধ্বস্ত হয়ে ভেসে গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রকৌশলী মোজাম্মেল হক বলেন, সড়কের নির্মাণকাজ এখনও শেষ হয়নি এবং সরকার এখনও সড়কের কাজ বুঝে নেয়নি। তাই সড়ক ভাঙ্গার জন্য সরকার বা এলজিইডি দায়ী নয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com