1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেড় বছর পর রাসেল মিয়া হত্যা রহস্য উদঘাটন, আদালতে আসামির স্বীকারোক্তি শেরপুরে পশুখাদ্য প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা শেরপুরে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ নালিতাবাড়ীতে এমপির ১৫০০ গাছের চারা বিতরণ ঝিনাইগাতীতে বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধ, বেকার হাজারো শ্রমিক মিয়ানমারে স্থলমাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশির মৃত্যু সবাইকে নিয়েই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ঝাঁপ দিতে হবে: সিইসি বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলে খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস নয়: প্রধানমন্ত্রী নিষিদ্ধ সংগঠন ছাড়া সভা-সমাবেশ করার অধিকার সবার আছে : আইনমন্ত্রী বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

টানা বর্ষণে বন্যা: বান্দরবানে ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী

  • আপডেট টাইম :: বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই, ২০২১

এন এ জাকির, বান্দরবান : বান্দরবানে টানা ৪দিনের বর্ষণে সাঙ্গু ও মাতা মুহুরী নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বান্দরবানে দেখা দিয়েছে বন্যা। বিভিন্ন এলাকায় পানিবন্দী হয়ে পড়েছে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ। ইতোমধ্যে আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে কয়েক হাজার মানুষ। বিভিন্ন সড়কে পানি উঠে যাওয়ায় বন্ধ রয়েছে অভ্যন্তরীণ সড়ক যোগাযোগ। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় রয়েছে পাহাড় ধসের আশঙ্কাও।
জানা গেছে, ৪ দিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানের লামা আলীকদম নাইক্ষ্যংছড়ি রুমা থানচিসহ জেলা শহরের বাস স্টেশন, মধ্যম পাড়া, উজানী পাড়া, বালাঘাটা স্বর্ণমন্দির এলাকা, ইসলামপুর, কাসেম পাড়া, বনানী সমিল, আার্মি পাড়া, ওয়াপদা ব্রীজ, হাফেজ ঘোনাসহ বেশ কিছু নি¤œাঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে। এর ফলে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে ৫০ হাজার মানুষ।
আর্মি পাড়ার বাসিন্দা আরিফুর রহমান বলেন, টানা বৃষ্টির কারেণে গতকাল রাতে আমাদের বাসায় পানি উঠে গেছে। ঘরের জিনিসপত্র সব ভিজে গেছে। কোন কিছু বের করতে পারিনি। পরিবারের লোকজন নিয়ে আত্মীয়ের বাসায় উঠেছি।
তবে বন্যায় প্লাবিত হয়ে অনেকে সরকারী আশ্রয় কেন্দ্রে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। শহর মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেয়া রহিমা খাতুন বলেন, বাসার চাল পর্যন্ত পানিতে ডুবে গেছে। বাচ্চা-কাচ্চা নিয়ে কোনমতে জীবন বাঁচাতে আশ্রয় কেন্দ্রে উঠেছি। কোন জিনিসপত্র আনতে পারিনি। এখানে পানির সমস্যা, খাবারের সমস্যা। সবকিছু মিলিয়ে খুব অসহায় অবস্থায় আছি।
সে কেন্দ্রের আরেক বাসিন্দা ফরিদা বেগম বলেন, সকাল থেকে পানি বেড়ে যাওয়ায় আশ্রয় কেন্দ্রে এসে উঠেছি। কিন্তু এখানে এখনও কেউ খবর নেয়নি, কোন সাহায্যও দেয়নি। কোন রকম বসে আছি।
এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যা কবলিতদের জন্য জেলায় ১৪০টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে বলে জানায় জেলা প্রশাসন। তারমধ্যে ২ হাজারের অধিক মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। প্রতিটি আশ্রয় কেন্দ্র ঘুরে ঘুরে বন্যা দূর্গতদের তালিকা করা হচ্ছে খাবার বিতরণের জন্য।
বান্দরবান পৌরসভার মেয়র ইসলাম বেবী বলেন, প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় আশ্রয় কেন্দ্রের মানুষকে খাবার বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দুপুরে ও রাতে তাদের খাবার দেয়া হবে। পাহাড়ের পাদদেশে যারা ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে তাদের সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে। এরপরও যারা সড়বে না তাদেরকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সরিয়ে নেয়া হবে।
এদিকে জেলার বিভিন্ন সড়কে পানি উঠায় বান্দরবানের সাথে রুমা, রোয়াংছড়ি ও থানচির অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
এছাড়াও লামা ও আলিকদমের বিভিন্ন সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় আলীকদমের সাথে লামা ও চকরিয়ার সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
বান্দরবান জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরিজি বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবধরণের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। প্রত্যেক উপজেলার ইউএনও’দের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানি দেয়া হচ্ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয় করে তাদের খাবারেরও ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com