1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
বদলিজনিত কারণে শেরপুরে সহকারী কমিশনার মাসুদুর রহমানকে বিদায় চীনের তৈরি জে-১০ সিই যুদ্ধবিমান কেনার পথে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা পুলিশের ঊধ্বর্তন ১৭ কর্মকর্তাকে বদলি, প্রজ্ঞাপন জারি নকলায় মাদকসেবীর জেল ও চার ফার্মেসির জরিমানা সাপের কামড়ে নিহত শাহিনের পরিবারের পাশে জেলা প্রশাসন জমি বিরোধে আইনুল হক হত্যা: শ্রীবরদী থেকে প্রধান আসামি মুরাদ গ্রেপ্তার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন: আইনমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির ঠাকুরগাঁও সফর স্থগিত ভূগর্ভস্থ পানির চাপ কমাতে লবণাক্ত পানি শোধনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ঘরে ফেরার আকুতি: বিশ্বের কাছে ১০ মিনিট সময় চায় লাখো রোহিঙ্গা

নীলফামারীতে তিস্তার ভাঙনে দিশেহারা কয়েক হাজার পরিবার

  • আপডেট টাইম :: মঙ্গলবার, ৩১ আগস্ট, ২০২১

এ জি মুন্না, নীলফামারী: নীলফামারীতে তিস্তা নদীর পানি বিপদ সীমার ৩০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও তীব্র ভাঙনের মুখে পড়েছে ডিমলা উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়ন। তিস্তার তীব্র স্রোতে ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের ভেন্ডাবাড়ীতে সলেডি স্প্যার বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় শতাধিক বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। অনেকে অন্যত্র ঘরবাড়ি সরিয়ে নিলেও বেশির ভাগ ঘরবাড়ি ও আবাদী জমি পানিতে তলিয়ে গেছে।

ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান বলেন, দিবাগত রাত ২টার দিকে স্প্যার বাধটি ভেঙে যাওয়ার খবর শুনে আমরা বালুর বস্তা ফেলে বাঁধটি রক্ষার চেষ্টা চালাই। কিন্তু নদীর তীব্র স্রোতের কারণে কোন চেষ্টাই সফল হয়নি।

টেপা খড়িবাড়ীর ময়নুল ইসলাম বলেন, তিস্তা নদীর ভাঙন অব্যাহত থাকায় আমাদের স্বেচ্ছা শ্রমের তৈরী বাঁধটির ৬০০ মিটার ভেঙে নদীতে তলিয়ে গেছে। ফলে হেক্টরের পর হেক্টর জমি পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে।

পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল লতিফ খান বলেন, তিস্তা নদীর ভাঙনে ঝাড় সিংহের চরে ৮টি পরিবারের বসতভিটা তিস্তা নদীর বুকে হারিয়ে গেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ সেল এর তথ্যমতে, সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত তিস্তা নদীর পানি বিপদ সীমার ৩০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘন্টায় বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ৩ মিলি মিটার।

ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়শ্রী রানী রায় বলেন, স্প্যার বাঁধ ভেঙে আশ্রয়ন প্রকল্প এলাকাসহ অনেক পরিবার প্লাবিত হয়েছে। ভাঙনের শিকার পরিবারগুলোর মাঝে শুকনো খাবার বিতরণের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী আসফাউদৌলা বলেন, ভাঙনের খবর পেয়ে সেসব স্থান পরির্দশন করা হয়েছে। এলাকাগুলোর অবস্থা উদ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে জানানো হয়েছে। তিস্তার পানি বৃদ্ধির প্রভাবে ৬টি ইউনিয়নে প্রায় ৮ হাজার পরিবার দুর্ভোগে পড়েছে বলে জানিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com