1. admin@banglarkagoj.net : admin :
  2. monirsherpur1981@gmail.com : banglar kagoj : banglar kagoj
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নালিতাবাড়ীর সব তথ্য মিলবে ‘মাই নালিতাবাড়ী’ তে কবরস্থানের অভাবে ঘরে দাফন, প্রশাসনের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হলো সামাজিক কবরস্থান ‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স, আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের জোরপূর্বক যুদ্ধে পাঠিয়েছে রাশিয়া মা ইলিশ রক্ষায় নৌ পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার ৩৩ জেলে জাপানে এলএনজি টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী ভোটের জন্য নয়, মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে রাজনীতি করে বিএনপি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী ছাত্রদল নেতা শাকিলকে হত্যা, ডিবি হেফাজতে সংসদ সদস্যের ছেলে বেতন বাড়ানোর দাবিতে গাজীপুরে শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান মিয়ানমারেই নিহিত: প্রধানমন্ত্রী

বেপরোয়া বালু ব্যবসায়ীরা: রাতের আঁধারে ও বসতবাড়িতে উঠছে বালু

  • আপডেট টাইম :: বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২১

নালিতাবাড়ী (শেরপুর) : থেমে নেই বেপরোয়া বালু ব্যবসায়ীরা। রাত গভীর হলেই শুরু হয় শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার পাহাড়ি নদী ভোগাইয়ের নিষিদ্ধ এলাকায় শ্যালুচালিত মিনি ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন। কোথাও বা ঝোপ-ঝাড়ে অথবা বাড়ির আঙিনায় চুপিসাড়ে তোলা হচ্ছে ভোগাইয়ের বালু। উপজেলা প্রশাসনের নজর এড়াতেই এমনসব কৌশল বেছে নিয়েছেন অবৈধ বালু ব্যবসায়ীরা।

সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, ভোগাই নদীর নয়াবিলের উত্তরে হাতিপাগার অংশের ভাঙা এলাকায় রাত এগারোটার পরপরই শ্যালুচালিত মিনি ড্রেজার স্টার্ট করেন বালু ব্যবসায়ীরা। ভোররাত পর্যন্ত নদীর পূর্বপারে সমতল জমি খুঁড়ে বেশ কয়েকটি মিনি ড্রেজারে তোলা হয় ভূ-গর্ভস্থ বালু। আবার ভোর হলেই সেসব ড্রেজার বন্ধ করে দেওয়া হয়। খোলে ফেলা হয় মেশিন ও পাইপসমূহ। ফলে দিনের আলাতে বালু উত্তোনবিরোধী ভ্রাম্যমাণ আদালত সেসব স্থানে গেলেও উত্তোলনের কোন আলমত চোখে পড়ে না। স্থানীয় বালু ব্যবসায়ী ওয়াহাব, সাদ্দাম, নয়ন, মনির, রহিম ও আনামতসহ কয়েকজন এ বালু উত্তোলনে জড়িত।

একইভাবে ঘাকপাড়া বাজার থেকে সামান্য উত্তরে ভোগাই নদীর পূর্ব তীরে ভজপাড়া এলাকায় বাঁশের ঝাড় ও বাড়ির আঙিনায় তোলা হচ্ছে ভোগাইয়ের বালু। যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত না হওয়ায় এবং কিছুটা ভিতরে হওয়ায় এসব বালু উত্তোলন রয়ে যায় অনেকের চোখের আড়ালে।

এছাড়াও ভজপাড়ায় গেল ঢলে ভেঙে যাওয়া বাঁধের পাশ থেকেও দিনরাত সুযোগ বুঝে উত্তোলন করা হচ্ছে বালু। প্রশাসন বা গণমাধ্যমের লোকজন দেখলেই ড্রেজার বন্ধ করে চলে যায় সুকৌশলে। লোকমান, মালেক, কাশেম, সাইয়ুম এ কয়েকজন বালু ব্যবসায়ী ভজপাড়া বালু উত্তোলনে জড়িত বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসী জানিয়েছেন, বারবার নিষেধ সত্বেও মানছেন না বালু ব্যবসায়ীরা। নদীর বাঁধ ধ্বংস করে ও আবাদি জমি খুঁড়ে চলছে বালু উত্তোলন। ফলে নদী ভাঙন বাড়ছে। হুমকিতে পড়েছে আশপাশের বাড়িঘর ও আবাদি জমি। অন্যদিকে ড্রেজারের বিকট শব্দেও অতীষ্ঠ হয়ে উঠছেন তারা।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রায়ই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হলেও এসব স্থানে জড়িতরা কৌশলগত কারণে রয়ে যাচ্ছে ধরাছোয়ার বাইরে। এমতাবস্থায় এসব অবৈধ বালু উত্তোলনে জড়িতদের বিরুদ্ধে শুধু ভ্রাম্যমাণ আদালতে শাস্তি নয়, পরিবেশ আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরী বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com