1. admin@banglarkagoj.net : admin :
  2. monirsherpur1981@gmail.com : banglar kagoj : banglar kagoj
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নালিতাবাড়ীর সব তথ্য মিলবে ‘মাই নালিতাবাড়ী’ তে কবরস্থানের অভাবে ঘরে দাফন, প্রশাসনের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হলো সামাজিক কবরস্থান ‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স, আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের জোরপূর্বক যুদ্ধে পাঠিয়েছে রাশিয়া মা ইলিশ রক্ষায় নৌ পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার ৩৩ জেলে জাপানে এলএনজি টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী ভোটের জন্য নয়, মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে রাজনীতি করে বিএনপি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী ছাত্রদল নেতা শাকিলকে হত্যা, ডিবি হেফাজতে সংসদ সদস্যের ছেলে বেতন বাড়ানোর দাবিতে গাজীপুরে শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান মিয়ানমারেই নিহিত: প্রধানমন্ত্রী

নিষিদ্ধ সীমানায় অবৈধ বালু উত্তোলন : নেই নজরদারী

  • আপডেট টাইম :: মঙ্গলবার, ২২ মার্চ, ২০২২

নালিতাবাড়ী (শেরপুর): জনগুরুত্বপূর্ণ সরকারী স্থাপনার নিষিদ্ধ সীমানার মধ্যে বালু উত্তোলনের নামে প্রকাশ্যে ধ্বংসযজ্ঞ চালালেও নেই কর্তৃপক্ষের নজরদারী। ফলে নদী ধ্বংসের পাশাপাশি ঝুঁকিতে পড়েছে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত স্থলবন্দর সড়কের ব্রিজটি। এমন অবস্থা শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার ভোগাই নদীর নাকুগাঁও এলাকায়।

জানা গেছে, গেল কয়েক বছর ধরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলার ভোগাই ও চেল্লাখালী নদী দুটির মোট তিনটি বালু মহাল এক বছর মেয়াদী ইজারা প্রদান করা হয়ে আসছে। তবে এসব মহাল থেকে বালু উত্তোলনের জন্য রয়েছে নানা শর্ত। সেসব শর্ত পূরণ করে বালু উত্তোলনের চুক্তি থাকলেও কতিপয় অসাধু বালু উত্তোলনকারী তথা ব্যবসায়ী নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা করছেন না। নদীর পার ভেঙে, গভীর গর্ত খুঁড়ে, সরকারী স্থাপনা ঝুঁকিতে ফেলে চালিয়ে আসছেন বালু উত্তোলন। সম্প্রতি কতিপয় বালু উত্তোলনকারীর থাবায় অধিকতর ঝুঁকিতে রয়েছে জেলার একমাত্র স্থলবন্দর নাকুগাঁও এলাকার ভোগাই ব্রিজ। ব্রিজটির দুইদিকে ৫শ মিটার করে মোট এক হাজার মিটারের মধ্যে বালু উত্তোলন কঠোরভাবে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা মানছেন না তারা। অজ্ঞাত খুঁটির জোরে ব্রিজের দক্ষিণাংশের (ভাটিতে) নদীর পার ঘেঁষে এবং তীরে ধ্বস নামিয়ে তোলা হচ্ছে বালু। জাকারিয়া, আজিজ, আজিজ এর ভগ্নিপতি সালাম ও ছোট ভাই বাবুল নিষিদ্ধ সীমানা থেকে প্রকাশ্যে প্রতিনিয়ত বালু উত্তোলন চালিয়ে এলেও নেই কর্তৃপক্ষের নজরদারী। গেল সপ্তাহে শামছুল আলম নামে এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও ধরাছোয়ার বাইরে অন্য চারজন।

অভিযোগ রয়েছে, উল্লেখিত বালু উত্তোলনকারীরা প্রশাসনের লাগানো লাল রঙের পতাকা বা নিষিদ্ধ সীমানার চিহ্ন পরবর্তীতে সড়িয়ে এগিয়ে এনে বালু উত্তোলন করে যাচ্ছে। ফলে তাৎক্ষণিক অনেকেই গিয়ে নিষিদ্ধ সীমানা সনাক্তেও বিভ্রান্ত হন।

অন্যদিকে কালাকুমা ও হাতিপাগার এলাকায় আরও কয়েকজন বালু উত্তোলনকারী কোন বিধি-নিষেধ না মেনে নদীর তীর ধ্বংস করে বালু উত্তোলন অব্যাহত রেখেছে। এসব বিষয়ে স্থানীয় ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করলেও প্রতিকার মিলছে না।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সামনে বর্ষা মৌসুমে নদীর উল্লেখিত স্থানসমূহে ভাঙন দেখা দেবে। এতে করে পাহাড়ি ঢলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়তে হবে তাদের। এছাড়াও বেপরোয়া বালু উত্তোলনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত নাকুগাঁও ব্রিজটি আরও ক্ষতির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের। এমতাবস্থায় অবৈধ বালু উত্তোলকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষের দাবী স্থানীয়দের।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হেলেনা পারভীন জানান, অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে আমরা সবসময়ই অভিযান পরিচালনা করে আসছি। শীঘ্রই এ বিষয়ে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com