1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেড় বছর পর রাসেল মিয়া হত্যা রহস্য উদঘাটন, আদালতে আসামির স্বীকারোক্তি শেরপুরে পশুখাদ্য প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা শেরপুরে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ নালিতাবাড়ীতে এমপির ১৫০০ গাছের চারা বিতরণ ঝিনাইগাতীতে বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধ, বেকার হাজারো শ্রমিক মিয়ানমারে স্থলমাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশির মৃত্যু সবাইকে নিয়েই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ঝাঁপ দিতে হবে: সিইসি বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলে খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস নয়: প্রধানমন্ত্রী নিষিদ্ধ সংগঠন ছাড়া সভা-সমাবেশ করার অধিকার সবার আছে : আইনমন্ত্রী বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ভারতে পিকে হালদারের বিপুল অর্থের সন্ধান

  • আপডেট টাইম :: শনিবার, ১৪ মে, ২০২২

অপরাধ ও দুর্নীতি ডেস্ক : অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ মাথায় নিয়ে বিদেশে পাড়ি দেওয়া প্রশান্ত কুমার হালদারের (পিকে হালদার) বিপুল সংখ্যক অর্থের সন্ধান পাওয়া গেছে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায়। পিকে হালদারের সহযোগী সুকুমার মৃধার কাছে এই অর্থের সন্ধান মেলে।

শুক্রবার (১৩ মে) সকাল থেকেই পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায় ভারতের অর্থ-সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বাহিনী এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট (ইডি)।

ইডি জানায়, প্রশান্ত হালদার নামে এক বাংলাদেশি হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করে কানাডায় পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তারই সহযোগী সুকুমার মৃধা বর্তমানে উত্তর ২৪ পরগনার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের মাছ ব্যবসায়ী।

এই সুকুমার মৃধার বাড়ি ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার অফিসে তল্লাশি চালায় ইডি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি মাছের ব্যবসার আড়ালে বিপুল সংখ্যক বেআইনি টাকার লেনদেন করেন। এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

সুকুমার মৃধার বিভিন্ন অফিস থেকে প্রচুর পরিমাণে নগদ অর্থ উদ্ধার হয়েছে বলে ইডি সূত্রে জানা গেছে।

ইডি বলছে, সুকুমারের ব্যবসায় বাংলাদেশি প্রভাবশালী মহলের অর্থ খাটতো। এছাড়া কলকাতার একাধিক কাউন্সিলরসহ উত্তর ২৪ পরগনার এক প্রভাবশালী মন্ত্রীর সঙ্গে সখ্যতা রয়েছে তার।

পিকে হালদারের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আর কে কে যুক্ত ছিল তা তদন্ত করে দেখছে ইডি।

পিকে হালদারের বিরুদ্ধে প্রায় তিন হাজার ৬০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ রয়েছে। বেশ কিছু আর্থিক প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনকালে এই অর্থপাচার করেছিলেন তিনি।

পিকে হালদার ছিলেন এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)।

তাকে গ্রেফতার করতে এরই মধ্যে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল পুলিশ অর্গানাইজেশন (ইন্টারপোল)। বসে নেই দুর্নীতি দমন কমিশনও (দুদক)।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com