1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
বিদায়ী বক্তব্যে বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল তিন বছর পর ভ্যান চালক হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৩ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন নতুন দুই মুখ, কাল হতে পারে প্রজ্ঞাপন নকলায় খাল পুনঃখনন প্রকল্পের ৭৮ লাখ টাকা ফেরত গেল সরকারি কোষাগারে জনগণের আস্থা অর্জনে মানবিক আচরণের ওপর গুরুত্ব ময়মনসিংহের ডিআইজির শেরপুরে গণশুনানিতে ২১৯ সেবাপ্রার্থীকে সহায়তা ছাড়পত্র ছাড়াই জাহাজ কাটছিল ফেরদৌস স্টিল, জরিমানা ৫ লাখ প্যারোলে মুক্তি পেতে পারেন দীপু মনি, কারাফটকের সামনে মেয়ে ও আইনজীবী নিহতদের পাঁচজন বাংলাদেশি, চারজন একই পরিবারের সদস্য: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আইনি বাধা নেই : অ্যাটর্নি জেনারেল

চা খেলে কমবে মৃত্যু ঝুঁকি!

  • আপডেট টাইম :: মঙ্গলবার, ৩০ আগস্ট, ২০২২

লাইফস্টাইল ডেস্ক : চা পানের অভ্যাস দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক হতে পারে। বিশেষ করে যদি দিনে দুই কাপ বা তার বেশি ব্ল্যাক টি পান করে থাকেন। রোববার (২৯ আগস্ট) অ্যানালস অব ইন্টারনাল মেডিসিনে প্রকাশিত একটি গবেষণায় এমনটাই বলা হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের গবেষকরা চায়ের অভ্যাসের সঙ্গে সব ধরনের মৃত্যুর হার তুলনা করতে ৪০ থেকে ৬০ বছর বয়সি প্রায় ৫ লাখ লোকের ডেটা পর্যালোচনা করেন। গবেষকরা দেখতে পান, প্রতিদিন কমপক্ষে দুই কাপ লাল চা পান করেছেন এমন ব্যক্তিদের মৃত্যু সমবয়সীদের তুলনায় ৯-১৩ শতাংশ কম ছিল, যারা দীর্ঘবছর ধরে চা পান থেকে বিরত ছিলেন তাদের তুলনায়।

সোজা কথায়, যারা দিনে ২ কাপ বা তার বেশি লাল চা পান করেন তাদের তাড়াতাড়ি মৃত্যুর ঝুঁকি কম, যারা চা পান করেন না তাদের তুলনায়। লাল চা পানের অভ্যাস হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুুঁকি কমায়।

এমনকি যারা দুধ ও চিনিসহ চা পান করেন তারাও স্বাস্থ্য উপকারিতা পেয়ে থাকেন, যারা চা পান করেন না তাদের তুলনায়। গবেষকদের মতে, চা আপনি যেভাবেই খান না কেন, এটি একটি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস হতে পারে দীর্ঘস্থায়ী রোগ প্রতিরোধ করার জন্য।

গবেষকদের মতে, লাল চায়ে পলিফেনল এবং ফ্ল্যাভোনয়েড উপাদান থাকে, যা প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। ক্যাটেচিন নামক একটি নির্দিষ্ট ধরনের পলিফেনল শরীরের ভেতরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে কোষের ওপর চাপ কমায় ও রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

গ্রিন টি-ও একই ধরনের স্বাস্থ্যকর চা এবং পলিফেনল সমৃদ্ধ। পার্থক্যটা হলো, ব্ল্যাক টি তৈরি করা হয় চা পাতাকে অক্সিজেনের সংস্পর্শে এনে, স্বতন্ত্র গাঢ় রঙ এবং গন্ধ তৈরি করে।

গ্রিন টি এবং কফির মতো লাল চা-তেও ক্যাফেইন বিদ্যমান। গবেষকদের মতে, অত্যাধিক ক্যাফেইন পান করলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। যেমন: আকস্মিক উদ্বেগ, দ্রুত হৃদস্পন্দন, অনিদ্রা, মাথাব্যথা, হজম সংক্রান্ত সমস্যাসহ আরো কিছু সমস্যা।

এদিকে আগের একটি গবেষণার তথ্যমতে, চা ও কফিতে বিদ্যমান ক্যাফেইন সাধারণত নিরাপদ। বিপাক প্রক্রিয়া, শক্তি বৃদ্ধি, মনোযোগ বৃদ্ধি, কার্যক্ষমতা বাড়াতে ক্যাফেইনের উপকারিতা রয়েছে।

তথ্যসূত্র: ইনসাইডার

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com