1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০২:২২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নিষিদ্ধ সংগঠন ছাড়া সভা-সমাবেশ করার অধিকার সবার আছে : আইনমন্ত্রী বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয় ক্লাবে পরিণত করেছে বিএনপি : নাহিদ ইসলাম নুসরাত হত্যা মামলায় ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, ৪ জনের যাবজ্জীবন শেরপুরে রাইস কুকারে রান্নার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গৃহবধূর মৃত্যু ‎পাবনায় ১১৩৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৬১৬টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক আসামির গায়ের শার্ট নিয়ে নানা প্রশ্ন খুনের দায় স্বীকার, কারাগারে সিদ্ধার্থ-মুগ্ধ নালিতাবাড়ীতে নিখোঁজ দুই শিশুর মরদেহ ভেসে উঠলো পুকুরে পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা ৩২টি বিলুপ্তপ্রায় কচ্ছপ উদ্ধার

বাগেরহাটে খতম তারাবিহ হচ্ছে না, ৫ হাজার হাফেজ পরিবার অসহায়

  • আপডেট টাইম :: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২০

বাগেরহাট: মরণঘাতি করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে পবিএ রমজানে এ বছর বাগেরহাটে প্রায়  ২ হাজার ৫১৪টি মসজিদে খতম তারাবিহ নামাজ পড়ানো হচ্ছে না। এর সাথে জড়িত প্রায় ৫ হাজার পরিবার অসহায় জীবন যাপন করছে।

সাধারনত মুসল্লীদের দানেই চলে। আর এই দানের অংশ থেকেই বেতন হয় ইমাম,হাফেজদের। কোভিড-১৯ এ আত্রান্তের সংখ্যা বিশ্বব্যাপি বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার মসজিদে না গিয়ে বাড়ীতে বসে নামাজ পড়ার সিদ্ধান্ত দেন। এতে বেশিরভাগ মুসল্লী ঘরে বসেই নামাজ পড়েন ঘরে বসেই। মসজিদে মুসল্লিদের উপস্থিতি না থাকায় ইমাম ও হাফেজরা তাদের বেতন পাচ্ছেন না। বেতন না পাওয়ায় অধিকাংশ পরিবার নিয়ে চরম অর্থকষ্টে রয়েছেন। এ সামান্য বেতন দিয়ে তাদের কোনরকমে জীবন চালিয়ে যেতে হয়। আবার খতম তারাবিহ নামাজ বন্ধ থাকায় ওইসব কুরআনে হাফেজদের এক মাসের আয় রোজাগার থাকছে না।

করোনার কারনে প্রায় মসজিদে মসজিদে এ বছর খতম তারাবিহ পড়ানো হচ্ছে না। বিশেষ করে প্রতিটি মসজিদে ১২ জনের বেশী মুসল্লি অংশ নিতে পারবেন- সরকারিভাবে এমন সংখ্যা বেধে দেওয়ার পর বাগেরহাটে অধিকাংশ মসজিদেই খতম তারাবিহ নামাজ আদায় করা হচ্ছে না।
ভাইজোড়া জামে মসজিদের সভাপতি  মোতালেব ফকির জানান, এলাকার মুসল্লীদের চাঁদার টাকায় আমাদের মসজিদ চলে। করোনাভাইরাসের কারনে মুসল্লিরা নামাজ পড়তে আসে না এবং মাসিক চাঁদাও দেয় না। তাই আমরা ইমামদের বেতন দিতে পারছি না। এ কারনে আমাদের ইমাম এখন মসজিদে আসতে চাচ্ছে না।
ভাইজোড়া জামে মসজিদের ইমাম বলেন, গত মাসের বেতন এখন পর্যন্ত দেয়নি। চলতি মাসে মসজিদ কমিটি কি করবে জানি না। করোনাভাইরাসের কারনে মুসল্লীরা এখন মসজিদে নামাজ পড়তে আসেনা বললেই চলে। পরিবার পরিজন নিয়ে সংসার চালাতে ভিষন কষ্ট হচ্ছে। সরকারিভাবে আমাদের যদি সাহায্য করতো তাহলে হয়তো দু‘বেলা দু‘মুঠো খেতে পারতাম।

– শেখ সাইফুল ইসলাম কবির

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com