1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
বন্যা ও পাহাড় ধসে সাত জেলায় প্রাণহানি বেড়ে ৫৪ সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সাদা জার্সিতে নামবে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার ২ মাসের মাথায় ডাচ রেফারির আকস্মিক মৃত্যু নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানে একের পর এক হামলা, শোনা যাচ্ছে বিস্ফোরণের শব্দ রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের বাস চলাচল বন্ধ পানি মাড়িয়ে এইচএসসি পরীক্ষা, প্রধানমন্ত্রীর ফোনে বদলাল পরীক্ষাকেন্দ্র বাবুগঞ্জের জঙ্গলে সেনাবাহিনীর মহড়ায় প্রধানমন্ত্রী, দেখলেন অ্যান্টি-ড্রোন ব্যবস্থা আগামী এক বছরে ৪১ লাখ পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে: প্রধানমন্ত্রী বরিশাল পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী, অংশ নিয়েছেন বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে

শেরপুরে ভারি বর্ষণে নদী-নদীতে পাহাড়ি ঢল, বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি

  • আপডেট টাইম :: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

শেরপুর : ভোররাত থেকে বেলা এগারোটা পর্যন্ত দফায় দফায় ভারি বর্ষণে তীব্র স্রোতে পাহাড়ি ঢল নেমেছে শেরপুরের চারটি পাহাড়ি নদীতে। এছাড়াও ব্রহ্মপুত্র নদের পানিও বৃদ্ধি পেয়েছে। সকাল থেকে এসব নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। চেল্লাখালী নদীর গোল্লারপাড় এলাকায় একটি স্থানের বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে ঢলের পানি প্রবেশ করছে।

বিকেলে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ঝিনাইগাতির মহারশি ও সোমেশ^রী নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করতে চলেছে। অন্যদিকে নালিতাবাড়ীর চেল্লাখালী নদীর বাতকুচি পয়েন্টে বিপদসীমার ১৬০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে নালিতাবাড়ীর ভোগাই নদীর পানি নাকুগাঁও পয়েন্ট দিয়ে বিপদ সীমার ৩৫৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে, নালিতাবাড়ী পয়েন্ট দিয়ে ৪১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে, এবং শেরপুরের ব্রহ্মপুত্র নদীর ৮২৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে বিকেলে চেল্লাখালী নদীর গোল্লারপাড় এলাকায় বাঁধের কিছু অংশ পানির তোড়ে ভেসে গেছে। তলিয়ে গেছে এ এলাকার বেশকিছু বোরো ধানের খেত।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, রাত থেকে শেরপুরে ১১ মিলিমিটার, নালিতাবাড়ীতে ৯০ মিলিমিটার এবং নাকুগাঁওয়ে ১১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বিকেল পর্যন্ত এসব নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় নদী তীরবর্তী বাসিন্দারা ভাঙন ও আকস্মিক বন্যা আতঙ্কে রয়েছেন। ভারি বৃষ্টিপাতের ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন বোরা চাষীরা।

জেলা কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমের অসময়ের টানা বৃষ্টিতে ইতিমধ্যেই শেরপুরের নি¤œাঞ্চলের ২৪৫ হেক্টর বোরো জমির ফসল পানিতে নিমজ্জিত হয়। এরপর কয়েকদিন বৃষ্টিপাত না থাকলেও মঙ্গলবার রাত থেে পুনরায় ভারি বর্ষণ হওয়ায় বোরো ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হবে।

নালিতাবাড়ীর দক্ষিণ রানীগাঁও গ্রামের কৃষক শামছুদ্দিন জানান, তিন একর বোরো ফসল পানিতে তলিয়ে সম্পূর্ণ পঁচে গেছে। এসব জমি থেকে তিনি এক মুঠো ধানও ঘরে তুলতে পারেননি।

এদিকে মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার দুপুর পর্যন্ত ভারি বর্ষণের ফলে নতুন করে পাহাড়ি ঢলের পানি ফসলের খেতে প্রবেশ করছে। এতে বোরো ফসল আরেক দফা ক্ষতির মুখে পড়বে।

শেরপুর কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক সাখাওয়াত হোসেন জানান, প্রথম দফায় বৃষ্টিপাতের ফলে ২৪৫ হেক্টর জমির বোরো ফসল তলিয়ে গেলেও পরবর্তীতে রোদ উঠায় ওইসব খেত শুকিয়ে গেছে। ফলে বোরো ফসলের তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যেই নদী তীরবর্তী ও নি¤œাঞ্চলের প্রায় ৬৭ ভাগ বোরো ফসল কাটা শেষ হয়েছে। যদি নতুন করে আর ভারি বর্ষণ না হয় তবে ক্ষতির আশঙ্কা কেটে যাবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com