1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নিষিদ্ধ সংগঠন ছাড়া সভা-সমাবেশ করার অধিকার সবার আছে : আইনমন্ত্রী বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয় ক্লাবে পরিণত করেছে বিএনপি : নাহিদ ইসলাম নুসরাত হত্যা মামলায় ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, ৪ জনের যাবজ্জীবন শেরপুরে রাইস কুকারে রান্নার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গৃহবধূর মৃত্যু ‎পাবনায় ১১৩৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৬১৬টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক আসামির গায়ের শার্ট নিয়ে নানা প্রশ্ন খুনের দায় স্বীকার, কারাগারে সিদ্ধার্থ-মুগ্ধ নালিতাবাড়ীতে নিখোঁজ দুই শিশুর মরদেহ ভেসে উঠলো পুকুরে পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা ৩২টি বিলুপ্তপ্রায় কচ্ছপ উদ্ধার

বালুচর হচ্ছে উত্তরের নদী, লবণাক্ততা বাড়ছে দক্ষিণে

  • আপডেট টাইম :: শুক্রবার, ২২ মার্চ, ২০২৪

ঢাকা: উজানে পানি প্রত্যাহারের কারণে উত্তরাঞ্চলের নদীগুলো শুল্ক বালুচরে পরিণত হয়েছে এবং দক্ষিণাঞ্চলের নদীগুলোতে লবণাক্ততা বেড়েই চলেছে বলে জানিয়েছে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন আন্দোলন (পরিজা)।

পরিজা সভাপতি ও পরিবেশ অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক প্রকৌশলী মো. আবদুস সোবহান বলেছেন, দখল, ভরাট, আর বর্জ্যে নদীগুলো এখন নিস্তব্ধ স্রোতহীন এবং দূষণের ভারে পানি ব্যবহারের অযোগ্য এবং জীববৈচিত্র্য শূন্য হয়ে পড়ছে। ফলে পরিবেশ, প্রতিবেশ, অর্থনীতি, জনস্বাস্থ্য ও জীবন-জীবিকা মারাত্বক হুমকির সম্মুখীন।

আজ শুক্রবার (২২ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘জীবন ও জীবিকার জন্য পানি’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, দেশের নদীগুলোর প্রায় প্রতিটির একই দশা। তিস্তার পানি প্রবাহ ব্যাপকহারে কমে গেছে। পদ্মা এখন মৃতপ্রায়, যুমনায় পড়েছে চর। বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যা ও কর্ণফুলী দখল, ভরাট ও দূষণের ভারে বিষাক্ত নিঃশ্বাস ফেলছে।

আর জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশ্ব পানি দিবসের বার্তায় শান্তির জন্য পানি ব্যবহার এবং আন্তঃসীমান্ত পানি সহযোগিতার জরুরি প্রয়োজনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। জাতিসংঘের তথ্যমতে, বিশ্বে বর্তমানে ২.২ বিলিয়ন মানুষ বিশুদ্ধ পানীয় জল থেকে বঞ্চিত এবং এদের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে।

পরিজার তথ্যানুসারে, দেশে ছোট বড় ৪০৫টি নদী রয়েছে। এর মধ্যে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে অভিন্ন নদীর সংখ্যা ৫৭টি।

৫৪টি ভারতের এবং ৩টি মিয়ানমারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। দেশের নদীগুলোর ৪৮টি সীমান্ত নদী, ১৫৭টি বারোমাসি নদী, ২৪৮টি মৌসুমী নদী। মানুষের অত্যাচারে নদীগুলো আজ মৃতপ্রায়।

বৈঠকে পানির সুরক্ষায় কিছু সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এরমধ্যে রয়েছে- অপরিশোধিত শিল্পকারখানায় বর্জ্য ও পয়ঃবর্জ্য, নৌযানের বর্জ্য, কঠিন বর্জ্য নদীতে ফেলা বন্ধ করা।

খরা মৌসুমে সেচ ও রাসায়নিক সার নির্ভর ধান চাষের পরিবর্তে প্রকৃতি নির্ভর ধান চাষ করা। প্রকৃতি নির্ভর ধান চাষে গবেষণা জোরদার করা এবং গবেষণালব্ধ ফলাফল মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন করা। ভূগর্ভে কৃত্রিমভাবে পানি রিচার্জ করা ইত্যাদি।

পরিজা’র সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ উজ্জল বলেন, পানির সঙ্গে মানুষের জীবন জীবিকা সম্পর্কিত। পানি নিয়ে দ্বন্দ্ব তৈরি হচ্ছে। একদিকে বস্তি এলাকায় হাজার হাজার মানুষ এক কলসি পানির জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছে। অন্যদিকে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে এক চুমুক খেয়ে পুরো বোতলের পানি পেলে দেওয়া হয়। এভাবে প্রতিদিন হাজার হাজার লিটার পানি অপচয় করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তৃতা করেন মানবাধিকার উন্নয়ন কেন্দ্রের মহাসচিব মাহবুবুল হক, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মুশতাক হোসেন, অধ্যক্ষ আকমল হোসেন প্রমুখ।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com