1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
৩৫ বছর পর সরাসরি ভোটাভুটিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আজ ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ’ ঘোষণা অটোরিকশা নিতেই চালককে হত্যা, তিন বছর পর রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৩ নালিতাবাড়ীতে অঙ্গীকার ফাউন্ডেশন’র স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে ফল গাছের চারা বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর খালাতো ভাইয়ের সোয়া কোটি টাকা ছিনতাই, মূলহোতা গ্রেপ্তার বিদায়ী বক্তব্যে বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল তিন বছর পর ভ্যান চালক হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৩ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন নতুন দুই মুখ, কাল হতে পারে প্রজ্ঞাপন নকলায় খাল পুনঃখনন প্রকল্পের ৭৮ লাখ টাকা ফেরত গেল সরকারি কোষাগারে জনগণের আস্থা অর্জনে মানবিক আচরণের ওপর গুরুত্ব ময়মনসিংহের ডিআইজির

পোশাক খাতে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য ১০০ বিলিয়ন ডলার

  • আপডেট টাইম :: মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ, ২০২৪

অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক : ২০৩০ সাল নাগাদ পোশাক খাতে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয়ের উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নির্ধারণ করে প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ফারুক হাসান।

সোমবার (২৫ মার্চ) আদমজী ইপিজেডে পোশাক কারখানা পরিদর্শনকালে এ কথা জানান তিনি।

বিজিএমইএর সভাপতি বলেন, বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিকারকরা সাপ্লাই চেইনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য ক্রমবর্ধমানভাবে পণ্য বৈচিত্র্যকরণের দিকে মনোনিবেশ করছেন। তারা বিশেষভাবে জ্যাকেট, অন্তর্বাস, খেলাধুলার পোশাক, স্যুট, ইউনিফর্ম, প্রযুক্তিবিষয়ক পোশাকের মতো জটিল এবং উচ্চ মানের নন-কটন পোশাকের ওপর জোর দিচ্ছে। পোশাক খাতের প্রতিনিধিত্বকারী শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন বিজিএমইএ হাই-এন্ড পণ্যের দিকে এ রূপান্তরকে তরান্বিত করার জন্য শিল্পে নেতৃত্ব প্রদানসহ বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

ফারুক হাসান জানান, উচ্চ মানসম্পন্ন পোশাক পণ্যের উৎপাদন সরেজমিনে দেখার জন্য আদমজী ইপিজেডের কয়েকটি পোশাক কারখানা পরিদর্শন করেছেন তিনি।

বিজিএমইএর সভাপতি বৈশ্বিক বাজারে এই ধরনের পোশাকের সম্ভাবনা সম্পর্কে ধারণা পেতে ইউনিভার্সাল মেনসওয়্যার লিমিটেড, সুয়াদ গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ইউনুসকো, ইউএইচএম লিমিটেড এবং রেমি হোল্ডিংস লিমিটেড পরিদর্শনকালে কারখানাগুলোর ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।

ফারুক হাসান হাই-এন্ড পোশাক উৎপাদন এবং রপ্তানিতে বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়ানোর সম্ভাব্য উপায়গুলো নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বৈচিত্র্যের দৃষ্টিকোণ থেকে নন-কটন ফাইবারভিত্তিক পণ্যের সুযোগগুলো কাজে লাগানোর ওপর জোর দেন।

তিনি বলেন, ‘নন- কটন এবং হাই-এন্ড সেগমেন্টের দিকে যাওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ শুধু যে বৈশ্বিক বাজারের সুযোগগুলোকে কাজে লাগাতে পারে, তা নয়, বরং বৈশ্বিক ফ্যাশন শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।’

ফারুক হাসান বলেন, ‘এটা খুবই আনন্দের বিষয় যে, বর্তমানে অনেক পোশাক কারখানা উচ্চ মানসম্পন্ন এবং মূল্য সংযোজিত পণ্য তৈরির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত আপগ্রেডেশনে বিনিয়োগ করছে।’ তিনি অন্যান্য পোশাক কারখানাকেও হাই-এন্ড পণ্য তৈরিতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com