1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০১:১৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
বন্যা ও পাহাড় ধসে সাত জেলায় প্রাণহানি বেড়ে ৫৪ সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সাদা জার্সিতে নামবে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার ২ মাসের মাথায় ডাচ রেফারির আকস্মিক মৃত্যু নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানে একের পর এক হামলা, শোনা যাচ্ছে বিস্ফোরণের শব্দ রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের বাস চলাচল বন্ধ পানি মাড়িয়ে এইচএসসি পরীক্ষা, প্রধানমন্ত্রীর ফোনে বদলাল পরীক্ষাকেন্দ্র বাবুগঞ্জের জঙ্গলে সেনাবাহিনীর মহড়ায় প্রধানমন্ত্রী, দেখলেন অ্যান্টি-ড্রোন ব্যবস্থা আগামী এক বছরে ৪১ লাখ পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে: প্রধানমন্ত্রী বরিশাল পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী, অংশ নিয়েছেন বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে

মাদ্রাসাগুলোতে স্কুলের তুলনায় অনেক ভালো লেখাপড়া হয়: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী

  • আপডেট টাইম :: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬

টাঙ্গাইল: মাদ্রাসাগুলোতে স্কুলের তুলনায় অনেক ভালো লেখাপড়া হয় বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান। সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা হল রুমে শিক্ষার মানোন্নয়নে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেছেন, আপনারা শুনে অবাক হবেন আজকে আপনারা শুনে অবাক হবেন অথবা অবাক হবেন না। আপনারা জানেন এই যে মাদ্রাসাগুলো, আপনারা তো সরকারি, স্কুলে যান আর না যান, পড়াশোনা করান আর না করান, মাস শেষে সরকারের একটা নির্দিষ্ট বেতন আছে। অবসরের পর পেনশন ও গ্র্যাচুইটি আছে। কিন্তু মাদ্রাসায় কি কোনো সরকারি বড় অনুদান বা বেতন আছে? নাই। কোনো পেনশন-গ্র্যাচুইটিও নাই। অথচ আজকে মাদ্রাসাগুলোতে আপনাদের চেয়ে অনেক ভালো লেখাপড়া হয়। আপনি অবাক হয়ে যাবেন, দেশের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষার্থী এখন মাদরাসার।

আহমেদ আযম খান বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষকদের সততা ও নিষ্ঠার প্রশংসা করে আহমেদ আযম খান আরও বলেন, ‘প্রত্যেকটা মাদ্রাসার শিক্ষক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন। তারা মনে করেন শিক্ষার্থীদের সঠিক শিক্ষা দেওয়া আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। সরকারের বড় কোনো বেতন ছাড়াই বিভিন্ন স্থান থেকে পাওয়া সামান্য সহযোগিতা ও কোরআন শিক্ষা দিয়ে টেনেটুনে তাদের সংসার চলে।

তিনি আরও বলেন, মাদরাসায় এতো সুন্দর লেখাপড়া হয় যে এখন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় সেখানে মাদরাসা শিক্ষকদের মাদরাসা থেকে পাস করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। কিন্ডারগার্টেন থেকে পাস করে যারা ওপরে উঠেছে তাদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। যারা ইংলিশ স্কুল থেকে পাস করেছে। ওই প্লেগ্রুপ, নার্সারি এবং ক্লাস ওয়ান থেকে ক্লাস টেন তাদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। আপনাদের সংখ্যা যদি বলতে চাই যে ফ্রি প্রাইমারিতে শিক্ষার্থীরা কি শিখেছে। তারা ওপরে ওঠে কয়জন বিশ্ববিদ্যালয়ের দরজায় ঢুকতে পেরেছে। সেটা অত্যন্ত লজ্জাজনক। আমি কেন বলছি— যে আপনাদের অস্তিত্বে টান পড়েছে। কারণ একটা সময় ছিল, ইংলিশ স্কুল ছিল না পাকিস্তানের আমলে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com