1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন

চলনবিলে চায়না দুয়ারি জালে পোনা মাছ নিধন থামছে না

  • আপডেট টাইম :: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

নাটোর : বর্ষা এলেই চলনবিলে শুরু হয় অসাধু মৎস্য শিকারিদের পোনা মাছ নিধনের তাণ্ডব। চায়না দুয়ারি জাল দিয়ে নির্বিচারে ধরা হয় পোনা মাছ। এরপর তা চলে যায় স্থানীয় হাটবাজারে। নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল থেকে বিভিন্ন জলজ প্রাণীও রেহাই পাচ্ছে না। মাঝেমধ্যে অভিযান চললেও প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়েই চলে মৎস্য নিধন। এতে হুমকির মুখে পড়েছে চলনবিলের জীববৈচিত্র্য।

জানা যায়, দেশের সর্ববৃহৎ জলাভূমি চলনবিল। নাটোর-সিরাজগঞ্জ ও পাবনায় মিঠা পানির এই জলাধারের অবস্থান। মাছসহ জীববৈচিত্র্যে ভরপুর এই বিল। তবে সাম্প্রতিককালে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জালের কারণে হুমকির মুখে বিলের জীববৈচিত্র্য। এই জাল দিয়ে পুঁটি, টেংরা, শোল, টাকিসহ বিভিন্ন ধরনের পোনা মাছ শিকার অব্যাহত রয়েছে।

বেশিরভাগ জালে মাছের সাথে সাপ, কুইচা, কাঁকড়া, ব্যাঙ, শামুকসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণীও আশঙ্কাজনক হারে নিধন হচ্ছে।

একসময় এই বিলে ১৩০ প্রজাতির মাছ পাওয়া যেত। এখন তা নেমেছে অর্ধেকের কোটায়। চলনবিল যেন পুরোপুরি মাছ শূন্য না হয়, সেই লক্ষ্যে কাজ করার কথা জানান মৎস্য বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসন। মাঝেমধ্যে অভিযানে নিষিদ্ধ জাল জব্দ করে পুড়িয়েও দেওয়া হয়। তারপরও প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়েই চলে নির্বিচারে পোনা নিধন।

এ বিষয়ে স্থানীয়রা বলছেন, বিলে এখন আগের মতো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। অন্যদিকে, স্থানীয় বাজারে বিক্রেতাদের ঝুলিতে বিভিন্ন মাছের পোনার আধিক্য বেড়েছে। যা চলনবিলের জন্য হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 এ বিষয়ে চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহারকারী জেলেরা বলেন, দারিদ্র্যের কষাঘাতে পোনা মাছ আহরণ একটি বাস্তবতা। সরকারি প্রণোদনা পেলে জীববৈচিত্র্য ধ্বংস থেকে বিরত থাকার প্রতিশ্রুতিও দেন তারা।

এ বিষয়ে নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন বলেন, ইতোমধ্যে হালতি বিল ও চলনবিলে অনেক অভিযান পরিচালনা হয়েছে। সেখানে চায়না জাল জব্দ হয়েছে, জরিমানা হয়েছে এবং মৎস্য সম্পদ রক্ষায় আমরা সব কার্যক্রম গ্রহণ করেছি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com