
শেরপুর: শেরপুর সদর থানায় দায়ের করা ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি মো. আতিকুর রহমান (২৮) কে লক্ষ্মীপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। র্যাব-১৪, সিপিসি-১, জামালপুরের একটি আভিযানিক দল র্যাব-১১-এর সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, আতিকুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগীকে রাস্তাঘাটে চলাচলের সময় প্রেমের প্রস্তাবসহ বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। বিষয়টি ভুক্তভোগীর পরিবার জানতে পেরে অভিযুক্তের পরিবারকে জানালে তিনি আরও ক্ষিপ্ত হন এবং ভুক্তভোগীর ক্ষতি করার সুযোগ খুঁজতে থাকেন বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহার সূত্রে আরও জানা যায়, গত ৫ আগস্ট রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে ভুক্তভোগী প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাইরে গেলে আতিকুর রহমান তার বসতঘরে প্রবেশ করেন। পরে ভুক্তভোগী ঘরে ফিরে এলে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে ৬ আগস্ট শেরপুর সদর থানায় মামলা করেন। মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩২৩ ও ৫০৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলাটি শেরপুর সদর থানার মামলা নম্বর-১২।
র্যাব জানায়, মামলা দায়েরের পর থেকেই প্রধান আসামি আতিকুর রহমান আত্মগোপনে চলে যান। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৪, সিপিসি-১, জামালপুরের একটি আভিযানিক দল র্যাব-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালী ক্যাম্পের সহযোগিতায় ৯ আগস্ট সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুর সদর থানাধীন উত্তর তেমহনী এলাকার রাজমহল রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বিরিয়ানি হাউজের সামনে অভিযান চালায়। এ সময় সেখান থেকে আতিকুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।