1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় শেষ শ্বাস পর্যন্ত লড়ে যাব : শফিকুর রহমান জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহায়তা পেলেন জীর্ণ পোশাকের আবেদ আলী ডেঙ্গু ঠেকাতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম শান্তি, সম্প্রীতি, উন্নয়নে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে : পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী শিগগিরই তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রত্যাশা ট্রাম্পের বিপিএলে দুর্নীতির অভিযোগে তিনজনকে অভিযুক্ত করল বিসিবি সীতাকুণ্ডে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সময় মিললেই ভারত সফর করবেন তারেক রহমান: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আগামীতে কৃষিপণ্য হবে প্রধান রপ্তানিযোগ্য পণ্য : কৃষিমন্ত্রী জুলাই যোদ্ধার কাছে চাঁদা দাবি ও মারধর, জুলাই ফাউন্ডেশনের ১৪ জনের নামে মামলা

জুলাই যোদ্ধার কাছে চাঁদা দাবি ও মারধর, জুলাই ফাউন্ডেশনের ১৪ জনের নামে মামলা

  • আপডেট টাইম :: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বাংলার কাগজ ডেস্ক : প্রতারণা, মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের ১৪ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মামলা করার আবেদন করেছেন জুলাই যোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলমের আদালতে তিনি এ মামলার আবেদন করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী ইলতুতমিশ সওদাগর এ্যানী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘বাদী একজন গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধা হয়েও প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা পাননি। উল্টো তিনি মারধর ও হেনস্তার শিকার হয়েছেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে অভিযোগের বিষয়ে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।’

মামলার পর আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের কাছে গিয়াস উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, ‘জুলাই ফাউন্ডেশনের ভেতরে একটি অন্ধকার রুম আছে। সেখানে আমাকে নিয়ে মারধর করা হয়েছে। ওই অন্ধকার রুমে আরও অনেক জুলাই যোদ্ধাকে মারধর করা হয়েছে। আমি বলেছি, আমাকে মেরো না। আমার পাওনা টাকার দরকার নেই। তবুও আমাকে মেরেছে। আমি সরকারের কাছে এর বিচার চাই।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘জুলাই চেতনাকে বিক্রি করে এই এনসিপি, সমন্বয়ক ও সাবেক উপদেষ্টারা কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি করেছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এর বিচার চাই।’

মামলার আসামিরা হলেন-জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ভেরিফিকেশন অফিসার ইফতেখার হোসেন, এক্সিকিউটিভ মেম্বার সাবরিনা আফরোজ সেবন্তী, সাইদুর রহমান শাহিদ, মেহেদী হাসান প্রিন্স, সাগর, আফজালু রহমান সায়েম, হারুন অর রশীদ, কামরুল হোসেন, আলিফ, জাহিদ, মোমেনুজ্জামান দিপু, সাজ্জাদ মোস্তফা, ফাতেমা আফরিন পায়েল ও ইয়াছিন মোল্লা।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, জুলাই যোদ্ধা হিসেবে গিয়াস উদ্দিন জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে চেক নিতে যান। তবে চেক না পেয়ে তিনি বাংলামোটরে এনসিপির কার্যালয়ে গিয়ে ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম, হাসনাত আব্দুল্লাহ, তাসনিম জারা ও স্নিগ্ধকে বিষয়টি জানান। তারা তাকে আশ্বস্ত করে বলেন, ফাউন্ডেশনে গেলে চেক দিয়ে দেওয়া হবে।

এরপর গিয়াস উদ্দিন ফাউন্ডেশনে গেলে আসামিরা কালক্ষেপণ করে তাকে ‘আজ নয়, কাল’ আসতে বলেন। পরে গত বছরের ৩ মে চেক নিতে তিনি রমনা মডেল থানাধীন জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনে যান।

অভিযোগে আরও বলা হয়, আসামিরা তাকে জানান, চেকে উল্লেখ করা ৩ লাখ টাকার ৫০ শতাংশ অর্থাৎ দেড় লাখ টাকা দিলে ব্যাংক থেকে চেকটি নগদায়ন করে দেওয়া হবে। গিয়াস উদ্দিন এতে অস্বীকৃতি জানালে আসামিরা কৌশলে তাকে একটি গোপন কক্ষে নিয়ে যান।

সেখানে মেহেদী হাসান প্রিন্স ও সাগর তার দুই হাত ধরে রাখেন। এ সময় সাইদুর রহমান শাহিদ ও আফজালু রহমান সায়েম তাকে কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একপর্যায়ে তাকে দেয়ালের দিকে ঠেলে দিলে রডের সঙ্গে মাথায় আঘাত লেগে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান।

অভিযোগ অনুযায়ী, পরে জ্ঞান ফিরলে গিয়াস উদ্দিন দেখতে পান, তার শরীর থেকে রক্ত ঝরছে। তিনি চিৎকার ও কান্নাকাটি করলে শাহিদ, সায়েম ও কামরুল তাকে কিল-ঘুষি দিয়ে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে হারুন ও কামরুল তাকে ফাউন্ডেশনের লিফটের সামনে রেখে যান। সেখান থেকে তার ছেলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করান।

মামলার আবেদনে গিয়াস উদ্দিন আরও উল্লেখ করেন, ঘটনার পর তিনি থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি। পরে কালক্ষেপণ করে তাকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com