1. admin@banglarkagoj.net : admin :
  2. monirsherpur1981@gmail.com : banglar kagoj : banglar kagoj
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
শ্রীবরদীতে হেরোইনসহ ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার অনলাইনে টিকিট কালোবাজারি হয়, এভাবে বলার সুযোগ কম: রেলমন্ত্রী নেত্রকোণায় ভূমি অধিগ্রহণ শাখা পরিদর্শন, স্বচ্ছতায় জোর শেরপুরে স্কুল ছাত্রী রিশাকে দায়িত্ব ও সচেতনতার জন্য পুরস্কার দিলেন ডিসি পল্টনের পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে ছাত্রশিবিরের পোস্টারিং জাতীয় ছাত্রশক্তির শেরপুর জেলা কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ যৌন হয়রানির মিথ্যা মামলা করে নিজেই কারাগারে বাদী ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযান মালিকদের জন্য সুখবর নালিতাবাড়ীতে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, থানায় মামলা

অনলাইনে টিকিট কালোবাজারি হয়, এভাবে বলার সুযোগ কম: রেলমন্ত্রী

  • আপডেট টাইম :: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬

বাংলার কাগজ ডেস্ক: অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি হয়, এভাবে সুযোগ তুলনামূলক কম বলে মনে করেন রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেছেন, অনলাইনে টিকিট বিক্রি শুরু হলে একসঙ্গে লাখ লাখ মানুষ প্রবেশের চেষ্টা করেন। এতে সাধারণ যাত্রীদের টিকিট পেতে সমস্যা হয়। আবার কেউ কেউ একাধিক টিকিট কিনে বেশি দামে অন্যের কাছে বিক্রি করেন। ফলে এ ধরনের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার রুটে মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেন চালুর অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

রেলমন্ত্রী বলেন, অনলাইনে টিকিটের কালোবাজারি হয়, এভাবে বলার সুযোগ আমার জানা মতে কম। অনলাইনে যখনই টিকিট কাটার জন্য উন্মুক্ত করা হয়, তখন লাখ লাখ মানুষ একসঙ্গে টিকিট কেনার চেষ্টা করেন। এতে অনলাইনে প্রবেশের ক্ষেত্রে বড় ধরনের বাধা তৈরি হয়। ফলে অনেক সাধারণ যাত্রী প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও টিকিট থেকে বঞ্চিত হন।

তিনি বলেন, টিকিট তো সীমিত। ঈদের সময় আমরা যদি ৩২ হাজার যাত্রীর টিকিট দিতে পারি, সেখানে ঘণ্টার মধ্যে ৩৪ থেকে ৩৭ লাখ মানুষ টিকিট কাটার চেষ্টা করেন। ফলে অনলাইনে প্রবেশ করাটাই কঠিন হয়ে যায়। যারা একটু অভিজ্ঞ, তারা আগে প্রবেশ করে টিকিট নিয়ে নেন।

রেলমন্ত্রী বলেন, একজন যাত্রী চারটি পর্যন্ত টিকিট নিতে পারেন। দেখা গেল, তিনি চারটি টিকিট নিয়েছেন, কিন্তু নিজে যাচ্ছেন না। পরে সেই টিকিট অন্য জায়গায় বিক্রি করে দিচ্ছেন। এখন ১০ জন মিলে যদি এভাবে একটি গ্রুপ তৈরি করে টিকিট কাটেন, তাহলে ৪০টি টিকিট হয়ে যায়। তখন তারা বেশি দামে বিক্রির প্রবণতা দেখান।

কালোবাজারির ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, কালোবাজারি বলতে আমি যেটা বুঝি, সঠিক পথে টিকিট না নিয়ে অন্য কোনোভাবে, কারও যোগসাজশে টিকিট সংগ্রহ করে বেশি দামে বিক্রি করা। কিন্তু অনলাইনে কাউকে টিকিট কাটতে বাধা দেওয়া যায় না। তিনি টিকিট কাটার পর সেটি অন্যের কাছে হস্তান্তর করতে পারেন। এটা আটকানো বেশ কঠিন।

এ ধরনের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়ে রেলমন্ত্রী বলেন, তারপরও এই প্রক্রিয়া যাতে বিস্তৃত না হয়, যারা এটা করেন তাদের যাতে চিহ্নিত করা যায় এবং সফটওয়্যারে নতুন কোনো ব্যবস্থা যুক্ত করে এটি নিয়ন্ত্রণ করা যায় কি না, সে বিষয়ে আমরা কাজ করছি। তবে কোনো যাত্রী নিজের নামে টিকিট কেটে বাইরে হস্তান্তর করলে তা নিয়ন্ত্রণ করা সত্যিকার অর্থেই কঠিন।

তিনি আরও বলেন, আমরা যে পদ্ধতিতে অনলাইনে টিকিট দিই, পৃথিবীর অন্যান্য দেশেও একই পদ্ধতিতে দেওয়া হয়। অন্য দেশের সুবিধা হচ্ছে, তারা একজনের নামে টিকিট নিয়ে আরেকজনের কাছে হস্তান্তর করেন না। তারা নৈতিকভাবে যথেষ্ট সমৃদ্ধ ও দায়িত্বশীল। টিকিট বিক্রি করে অবৈধ উপার্জন করতেও তারা অভ্যস্ত নন। আমরা জাতি হিসেবে অতটুকু উন্নত হতে পারিনি। আমাদের উন্নত হতে হবে।

যাত্রীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে রেলমন্ত্রী বলেন, যিনি যাত্রা করবেন না, তিনি টিকিট কাটবেন না। আবার টিকিট কাটার পর কোনো কারণে ট্রেনে যেতে না পারলে সেটি অন্যের কাছে হস্তান্তর করবেন না। এই সচেতনতা ও মানসিকতা তৈরি না হলে টিকিট কেটে অন্যের কাছে হস্তান্তর করা রোধ করা কঠিন। আর সেটাকে কালোবাজারি হিসেবে আখ্যা দিলে তা নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের জন্য কঠিন।

সূত্র: কালবেলা

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com