1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:১৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সবাইকে নিয়েই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ঝাঁপ দিতে হবে: সিইসি বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলে খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস নয়: প্রধানমন্ত্রী নিষিদ্ধ সংগঠন ছাড়া সভা-সমাবেশ করার অধিকার সবার আছে : আইনমন্ত্রী বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয় ক্লাবে পরিণত করেছে বিএনপি : নাহিদ ইসলাম নুসরাত হত্যা মামলায় ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, ৪ জনের যাবজ্জীবন শেরপুরে রাইস কুকারে রান্নার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গৃহবধূর মৃত্যু ‎পাবনায় ১১৩৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৬১৬টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক আসামির গায়ের শার্ট নিয়ে নানা প্রশ্ন খুনের দায় স্বীকার, কারাগারে সিদ্ধার্থ-মুগ্ধ

৩ বছরেও সংস্কার হয়নি মালিঝি নদীর বিধ্বস্ত বাঁধ, ১৫ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

  • আপডেট টাইম :: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২০

ঝিনাইগাতী (শেরপুর) : জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার পাগলারমুখে বিধ্বস্ত মালিঝি নদীর বাঁধ ৩ বছরেও সংস্কার হয়নি। ফলে এ পথে যাতায়াতকারী ১৫ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগের শেষ হচ্ছে না।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাগলারমুখ-তিনানী রাস্তার মালিঝি নদীর এ বাঁধটি ২০১৭ সালে অবিরাম বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তোরে বিধ্বস্ত হয়। এর ফলে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা। বাঁধটি বিধ্বস্ত হওয়ার ৩ বছর অতিবাহিত হলেও সরকারের পক্ষ থেকে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরায় সচলের কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি আজও। বাধ্য হয়ে এলাকাবাসী বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে চলাচল করছেন। এ সাঁকোর উপর দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন পারাপার হতে হয় পথচারীদের।
ঘাগড়া কামারপাড়া গ্রামের শামসুল হক, শফিউল্লাহ, আল-আমিন ও আয়ুব আলীসহ অনেকেই জানান, হাতীবান্ধা, ঘাগড়া কামারপাড়া, প্রধানপাড়া, মিরপাড়া, চকপাড়া, মোল্লাপাড়া, পাগলারমুখ, পাগলারপাড়, তিনানী, সুরিহারা, বেলতলী ও কাঠালতলীসহ প্রায় ১৫টি গ্রামের মানুষ এ পথে যাতায়াত করে।
হাতীবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন জানান, বিধ্বস্ত বাঁধটি সংস্কারের অভাবে এ পথে যাতায়াতকারী শতশত মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। এলাকায় উৎপাদিত কৃষিপণ্য সঠিক সময়ে বাজারজাত করতে পারছে না। গবাদিপশু পারাপারে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছে কৃষকরা। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজে যাতায়াতের সময় মাঝে-মধ্যেই দুর্ঘটনার শিকার হেেচ্ছ।
শুধু তাই নয়, বিধ্বস্ত বাধেঁর ভাঙা অংশ দিয়ে পানির সাথে বালু প্রবেশ করে ফসলি জমি চাষ আবাদের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
হাতীবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান নুরুল আমিন দোলা জানান, বিধ্বস্ত বাধঁটি সংস্কারে বিভিন্ন সময় উপজেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির সভায় আলোচনা হয়েছে। কিন্তু কোনো কাজে আসেনি।
উপজেলা প্রকৌশলী মোজাম্মেল হক বলেন, বাধঁটি নদীর পাড় ঘেঁষে হওয়ায় এলজিইডি’র পক্ষ থেকে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। এটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্ব।
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এসএমএ ওয়ারেছ নাঈম বলেন, বাঁধটি সংস্কারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে আলোচনা হয়েছে। অতিদ্রুুত বাঁধটি সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com