1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:১৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সবাইকে নিয়েই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ঝাঁপ দিতে হবে: সিইসি বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলে খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস নয়: প্রধানমন্ত্রী নিষিদ্ধ সংগঠন ছাড়া সভা-সমাবেশ করার অধিকার সবার আছে : আইনমন্ত্রী বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয় ক্লাবে পরিণত করেছে বিএনপি : নাহিদ ইসলাম নুসরাত হত্যা মামলায় ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, ৪ জনের যাবজ্জীবন শেরপুরে রাইস কুকারে রান্নার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গৃহবধূর মৃত্যু ‎পাবনায় ১১৩৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৬১৬টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক আসামির গায়ের শার্ট নিয়ে নানা প্রশ্ন খুনের দায় স্বীকার, কারাগারে সিদ্ধার্থ-মুগ্ধ

এবার বুড়ি ভোগাই খাবলে খাচ্ছে বালুদস্যুরা

  • আপডেট টাইম :: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২০

নালিতাবাড়ী (শেরপুর): বেপরোয়া বালুখেকোরা কোনভাবেই যেন থামছে না। সরকারী বিধি-নিষেধ আর প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা সত্বেও যত্রতত্র শ্যালুচালিত ড্রেজার বসিয়ে চলছে নির্বিঘ্নে বালু উত্তোলন। ফলে বাড়ছে নদী ভাঙন, ঝুঁকিতে নদী ও প্রকৃতি। এরই ধারাবাহিকতায় বালুখেকোরা এবার থাবা বসিয়েছে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার প্রাচীনতম নদী ‘বুড়ি ভোগাই’য়ে। স্থানীয় ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিলেও মিলছে না সুরাহা।
সরেজমিনে গেলে দেখা গেছে, বুড়ি ভোগাই নদীর কাকরকান্দি ও বরুয়াজানি গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান শহীদ উল্লাহ তালুকদার মুকুলের বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় যেন খনি পেয়ে বসেছে বালু কতিপয় ব্যবসায়ী। কোনপ্রকার অনুমোতি ছাড়াই অপরিকল্পিতভাবে ৫০-৬০ ফুট পর্যন্ত গভীর গর্ত খুঁড়ে ড্রেজার বসিয়ে তোলছে ভূ-গর্ভস্থ বালু। নদী তীরবর্তী আবাদী জমি চুক্তিতে ক্রয় করে নদীসহ ওইসব জমিতে তৈরি করা হচ্ছে বড় বড় গর্ত। এতে করে ভাঙছে বুড়ি ভোগাইয়ের পাড়, ধ্বসে পড়ছে আশপাশের জমি। ঝুঁকিতে পড়েছে নদী তীরবর্তী গ্রামীণ রাস্তা এবং বসতবাড়ি। আবুল কাশেম-কাওসার, আব্দুল হাই-জাহিদুলরা এসব বালু উত্তোলনে জড়িত বল জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে প্রতিবছর উপজেলার ভোগাই ও চেল্লাখালী নদী দুটোর বিভিন্ন অংশে বালু মহাল ইজারা দেওয়া হলেও এর বাইরে কোন নদী বা ভূ-গর্ভস্থ বালু উত্তোলনে কোনপ্রকার ইজারা বা অনুমোতি নেই। এরপরও প্রকাশ্যে নদী ও রাস্তা-ঘাট ধ্বংস করে ভূ-গর্ভস্থ সরকারের কোটি টাকার খনিজ সম্পদ লুটে নিয়ে যাচ্ছে সংঘবদ্ধ চক্রটি। আশপাশে বসবাসকারীরা বাধা দিতে গেলে তাদের দেওয়া হচ্ছে হুমকী। অবৈধ এ বালু ব্যসায়ীদের বিরুদ্ধে গেল বছরের শুরুতে কয়েক দফায় অভিযোগ দিয়ে কিছুদিন আগে বন্ধ করা হয় বালু উত্তোলন। সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বদলি হওয়ার পর পুনরায় চলছে বালু লুটের উৎসব। ফলে বাধ্য হয়ে নিজেদের বসতবাড়ি ও সরকারী রাস্তা বাঁচাতে পুনরায় অভিযোগ দেন এলাকাবাসী। কিন্তু এতে কোন কাজে আসছে না বলে অভিযোগ তাদের।

অভিযোগকরী গৃহবধূ জাকিয়া তামান্না অনামিকা জানান, বাড়ির পাশে সরকারী গ্রামীণ রাস্তা আর নদী। বালু উত্তোলনের ফলে রাস্তা আর আমার ফাউন্ডেশন দেওয়া বাড়ি ভাঙনের হুমকীতে পড়েছে। বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়ায় জড়িতরা আমাদের মারতে এসেছিল।
বুলবুল (৫০) ও সুরুজ আলী (৬৫) জানান, বুড়ি ভোগাই নদীর পাড়ে জমি কিনে নদীসহ গর্ত খুঁড়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে নদী ভাঙন বাড়ছে। হুমকীতে পড়েছে গ্রামীণ রাস্তা ও আশপাশের বসতবাড়ি।
জিয়াউল হক (২৪) ও আইয়ুব আলী (৬৩) একই অভিযোগ করে জানান, আমরা প্রতিবাদ করলেও কাজে আসছে না। লিখিত অভিযোগ দিয়েও এর প্রতিকার পাচ্ছি না।
অভিযুক্ত বালুখোকোদের একজন কাওসার জানান, আমরা নদী পাড়ের জমি কিনে সেখান থেকে বালু উত্তোলন করছি, নদী থেকে তোলছি না। অনুমোদনের বিষয়ে তিনি সদুত্তর দিতে পারেননি।
এদিকে সরেজমিনে তদন্ত করে ফেরার পর বালু ব্যবসায়ীদের পক্ষে ‘খরচ’ (ঘুষ) দিয়ে সংবাদ না করতে অপচেষ্টা চালানো হয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com