1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্যভিচারের শাস্তি ও সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তি নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কবর রচনা করা হয়েছে: সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ ৬৪ জেলায় ৬৪ জন ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’ থাকলে মন্দ হতো না: রুমিন ফারহানা আমরা তার ছাত্র হওয়ার জন্য এখানে আসি নাই, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জামায়াত আমির ভারতে প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত, ২ পাইলট নিহত শেরপুরে বৃক্ষরোপণ, স্কুল ড্রেস-ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ফিরেছে, না কি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যর্থ: জানতে চান হাসনাত নেপাল-চীন সীমান্তে বন্যা: ১৫০০ নিখোঁজ, ৮০০ জনই বিদেশি দুর্নীতির ১৫ মামলায় খালাস পেলেন মির্জা আব্বাস

খাদ্যের সন্ধানে ঝিনাইগাতির লোকালয়ে নেমে আসছে বন্যহাতির দল

  • আপডেট টাইম :: বৃহস্পতিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২০

ঝিনাইগাতি (শেরপুর) : ভারত সীমান্তঘেঁষা শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার গারোপাহাড়ের বিভিন্ন লোকালয়ে খাদ্যের সন্ধানে নেমে আসছে বন্যহাতির দল। এ নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এলাকাবাসীর মাঝে। হাতির আক্রমণ থেকে আত্মরক্ষায় রাত জেগে মশাল জ্বালিয়ে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে পাহাড়ি অধিবাসীরা।
স্থানীয়রা জানান, গত মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে চারটা থেকে দুটি বাচ্চাসহ ১৫টি হাতির একটি দল লোকালয়ে নেমে আসে। বুধবার পর্যন্তও বন্যহাতির ওই দলটি তাওয়াকুচা এলাকায় বন বিভাগের একটি বাগানে অবস্থান করছিল।
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৫ সালে ২০ থেকে ২৫টি হাতির একটি দল ভারত থেকে দলছুট হয়ে শেরপুরের গারোপাহাড়ে চলে আসে। পরে দলটি আর তাদের পুরোনো আবাসস্থলে ফিরে যেতে পারেনি। বংশ বৃদ্ধি হয়ে বর্তমানে হাতির সংখ্যা ৫০ ছাড়িয়েছে। হাতির দলটি খাবারের সন্ধানে গারোপাহাড়ের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে চষে বেড়ায়। কখনও বনে কখনও লোকালয়ে চালায় খাদ্যের সন্ধানে তান্ডব। পাহাড়িরা কোনো ফসল ঠিকমতো ঘরে তুলতে পারে না। ধান ও কাঁঠাল পাকার সময় হাতির আক্রমণ বেড়ে যায়। হাতির আক্রমণে এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক মানুষ, আহতের সংখ্যাও তিন শতাধিক।
কাঠ-লাকড়ি সংগ্রহের পাশাপাশি জীবিকা নির্বাহের জন্য পাহাড়ের ঢালে প্রতিবছর পাহাড়িরা ধান চাষ করে থাকে। এ ধান ঘরে তোলার আগ পর্যন্ত পাহাড়িরা গ্রামে গ্রামে ২০-৩০ জনের দলে বিভক্ত হয়ে পাহারা বসায়। এ সময় পাহাড়িরা বাঁশের মাথায় মশাল জ্বালিয়ে রাখে।
কাংশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে ওই ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে প্রায় প্রতিরাতেই হানা দিচ্ছে বন্যহাতির দল। ক্ষেতের পাকা ধান খেয়ে সাবাড় করে দিচ্ছে হাতিগুলো। ফলে এলাকার কৃষকের চোখে এখন ঘুম নেই।
বন বিভাগের তাওয়াকুচা বিট কর্মকর্তা মোখরুল ইসলাম আকন্দ বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে গারোপাহাড়ের বিভিন্ন এলাকায় বন্যহাতি এলাকায় নেমে এসেছে। এতে এলাকাগুলোতে আতঙ্ক বিরাজ করছে। হাতির দল মানুষের বসতবাড়িতে হামলা না চালালেও ধানক্ষেতসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষতি করছে। তাওয়াকুচা বিটের ‘সুফল’ প্রকল্পের প্রায় সাত হাজার চাপালিশ চারা নষ্ট করেছে হাতির দলটি।
ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবেল মাহমুদ বলেন, দুর্ঘটনা এড়াতে হাতির দলকে নিরাপদে পাহাড়ে ফিরিয়ে দেয়ার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com