1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নিষিদ্ধ সংগঠন ছাড়া সভা-সমাবেশ করার অধিকার সবার আছে : আইনমন্ত্রী বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয় ক্লাবে পরিণত করেছে বিএনপি : নাহিদ ইসলাম নুসরাত হত্যা মামলায় ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, ৪ জনের যাবজ্জীবন শেরপুরে রাইস কুকারে রান্নার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গৃহবধূর মৃত্যু ‎পাবনায় ১১৩৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৬১৬টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক আসামির গায়ের শার্ট নিয়ে নানা প্রশ্ন খুনের দায় স্বীকার, কারাগারে সিদ্ধার্থ-মুগ্ধ নালিতাবাড়ীতে নিখোঁজ দুই শিশুর মরদেহ ভেসে উঠলো পুকুরে পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা ৩২টি বিলুপ্তপ্রায় কচ্ছপ উদ্ধার

বাগেরহাটের ভাষানদল হোগলপাতি ঝুঁকিপূর্ণ কালভার্ট

  • আপডেট টাইম :: বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট: বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের ভাষানদল-হোগলপাতি গ্রামের স্যযোগকারী কালভার্টটি খালের মধ্যে পড়ে আছে। দুই পাড়ের সংযোগ মাটি না থাকায় কারেন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীর।

সরেজমিনে জানা গেছে, নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ভাষানদল-হোগলপাতি খালের এ জনগুরুত্বপূর্ণ দীর্ঘ ৫-৬ বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। কালভার্ট ওয়ালের ইট বেয়ে ঝুুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী চলাচল করতে হয়। ওয়াল ইটে ওঠার সময় পড়ে কর্দমাক্ত হয়ে বাড়ি ফিরতে হয়।জোয়ারের সময় পার হতে পানিতে ভিজতে হয়।

এ পুল দিয়ে প্রতিদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ মোরেলগঞ্জগামী কয়েক হাজার মানুষ পারাপার হয়। আবুল হোসেন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, হোগলপাতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এইচভিএস হাজি নুরুউদ্দিন দাখিল মাদ্রাসা, হেফজখানার শিক্ষার্থীসহ মিতালি বাজার, মৃধার বাজার ও কয়েকটি মসজিদের লোকজনও যাতায়াত করে।

স্থানীয় বাসিন্দা হায়দার আলী শিকদার ও ব্যবসায়ী ইউনুস আলী বলেন, ২০১০ সালে এ কালভার্টটি নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে এটি ঝুঁকিপূর্ণ।  সিমেন্টের ফাঁকা স্লিপারের উপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলতে হয়।

মাদ্রাসা শিক্ষার্থী জেরিন, সাদিয়া আকতার ও মেহবাহ হোসেন জানায়, স্কুল-মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা ঝুঁকি নিয়ে এ কালভার্ট দিয়ে চলাচল করতে হয়।

এ ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাহিদুল ইসলাম বলেন, পুলটি দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। পুলটি জরুরী ভিত্তিতে পুননির্মাণ প্রয়োজন।

ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, এটি নির্মাণেই যথেষ্ট ত্রুটি ছিল। এখন ভাঙ্গাচোরা অবস্থায় খালের মধ্যে অবস্থান করেছ। ইতোমধ্যে বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশিলীকে জানানো হয়েছে। আপাতত যাতায়তের উপযোগী করাার চেষ্টা চলছে। বরাদ্দ পেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কালভার্টটি নতুন করে নির্মাণ করা হবে।

উপজেলা প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম বলেন, ভাষান্দল ও হোগলপাতি গ্রামের ভাঙা কালভার্ট থেকে জনসাধারণ চলাচলে দুর্ভোগের কথা শুনেছেন। আপাতত বরাদ্দ না থাকায় চেয়ারম্যানকে পরিষদের বরাদ্দ থেকে সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করে দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। পরবর্তীতে বরাদ্দ আসলে কালভার্টটি পুননির্মাণ করা হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com