1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন ৪ মন্ত্রী ও ২ প্রতিমন্ত্রীকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি শপথ নিলেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন নতুন চার মুখ, রাতে শপথ মাদকবিরোধী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে মাদকসহ দুই মাদক কারবারিকে ধরে পুলিশে সোপর্দ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানালেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি নালিতাবাড়ীতে কৃষক-কৃষাণীর মাঝে কাঁঠালের চারা বিতরণ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ নকলায় মাছ ধরতে গিয়ে স্রোতে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার ভুয়া খবর বিষয়ক সতর্কবার্তা দিলো ভারতীয় হাইকমিশন শেরপুরে করাতকলে ৫ হাজার টাকা জরিমানা

পায়রাবন্দরে ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্থ ১২৫ পরিবারকে বঞ্চিত করার নীল-নকশা

  • আপডেট টাইম :: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২০

রাসেল কবির মুরাদ, কলাপাড়া (পটুয়াখালী) : কলাপাড়ায় তৃতীয় গভীর সমুদ্র বন্দরের কোল টার্মিনাল নির্মাণের জন্য নির্ধারিত ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্থ ১২৫ পরিবারকে নামের তালিকা থেকে বাদ দেয়ার ষড়যন্ত্র চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গত রবিবার ক্ষতিগ্রস্থ ভূক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে বেনামী আবেদনের কার্যক্রম বন্ধ সাপেক্ষে ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের নামের তালিকায় তাদের ১২৫ পরিবারের নাম বহাল রেখে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার হিসেবে সরকারি সকল ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার জন্য লিখিত আবেদন করেন। বেনামী একটি আবেদনের কারন দেখিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ তালিকা থেকে তাদের নাম বাতিল করার চেষ্টা চলছে বলে তারা যায়।
অভিযোগকারীদের সূত্র থেকে জানা যায়, পায়রা সমুন্দ্রবন্দর কর্তৃপক্ষ তাদের বন্দরের কোল টারর্মিনাল নির্মাণের জন্য নিশানবাড়িয়া মৌজায় ভূমি অধিগ্রহণ করেন। পায়রাবন্দর কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসকের যৌথ টিম এলাকায় তদন্ত করে ১২৫ পরিবারের বাড়িঘর, গাছ, পুকুর ও ঘেড় ক্ষতিপূরণের আওতাভূক্ত করেন। কমিটিতে সবধরণের তদন্ত সাপেক্ষে অভিযোগকারীরা ৪ ও ৭ ধারায় ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্থরা ড্রাইভিং ও অন্যান্য ট্রেনিংসহ সরকারের সবধরণের সুযোগ-সুবিধাও ভোগ করেছেন।
কলাপাড়া ফরেস্ট অফিস ১২৫ পরিবারের গাছের তদন্ত শেষ করে পটুয়াখালী এলএ শাখায় প্রতিবেদন প্রেরণ করেছেন। এমনকি গণপূর্ত অফিস, পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এর প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে যৌথ তদন্তের ফিডবহি হাতে পেয়ে তারা ৮ ধারা নোটিশের অপেক্ষায় ছিল। এ অবস্থায় হঠাৎ কিছুদিন আগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও পায়রা কর্তৃপক্ষের অফিসের এলএ শাখার কানুনগোসহ যৌথ একটি টিম আবারো নিশানবাড়ীয়া মৌজার ঘরবাড়ি তদন্তের জন্য হাজির হয়। এলাকাবাসী পুন:তদন্তের কারন জানতে চাইলে তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানান, স্থানীয় মো. কুদ্দুস তালুকদারের পুত্র মো. রাসেল তালুকদার নামের একজন ব্যক্তি পটুয়াখালী এল,এ অফিসে পুন:তদন্তের আবেদন করেছেন।
ভুক্তভোগীরা জানায়, উক্ত ব্যক্তি নিজে কোন অভিযোগ দাখিল করেননি ও আবেদনের বিষয়ে কিছুই জানে না বলে জানান এবং রাসেল তালুকদার তার নাম ব্যবহার করে বেনামী আবেদনের কার্যক্রম বন্ধের জন্য পটুয়াখালী এলএ অফিসসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেন।
উল্লেখ্য, উক্ত বেনামী আবেদনের সাথে রাসেল তালুকদারের ছবি ও আইডি কার্ডের কোনো কপিও সংযুক্ত ছিল না। কোন একটি কুচক্রি মহল অবৈধ ফয়দা নেয়ার জন্য হীন কাজ করতে পারে বলে অভিযোগকারীরা জানান।
কুচক্রিমহলের এই অবৈধ উদ্দেশ্য ও অসহায় অভিযোগকারী ১২৫ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার যাতে সুষ্ঠু সমাধান এবং তাদের নাম ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকায় অর্ন্তভূক্ত থাকতে পারে এ জন্য বেনামী আবেদনের কার্যক্রম বন্ধ করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেন।
এ বিষয়ে পায়রা সমুদ্র বন্দরের চেয়ারম্যান কমডোর হুমায়ুন কবির কল্লোল’র মোবাইলে একাধিকবার ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com