1. admin@banglarkagoj.net : admin :
  2. monirsherpur1981@gmail.com : banglar kagoj : banglar kagoj
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যার মূল আসামি চট্টগ্রাম থেকে আটক, মেলেনি মোবাইল ফোন সন্দেহের বশে কাউকে ‘বাংলাদেশি’ আখ্যা দিয়ে ফেরত পাঠানো যাবে না: কলকাতা হাইকোর্ট অসংখ্য ডিসেম্বর আসবে যাবে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরবে না: রাশেদ খাঁন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে যোগ্যতাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: ববি হাজ্জাজ ডিআইজি পরিচয় দিয়ে কপাল পুড়ল অতিরিক্ত ডিআইজির মেক্সিকোর কারাগারে ভয়াবহ সংঘর্ষ, নিহত ১০ রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৮০ প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী পদে নিয়োগ পেলেন গিয়াস উদ্দিন রিমন কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী হত্যা, জীবন বাঁচাতে ধানক্ষেতে দৌড়েছিল তাজমিন ৬ মাসে বিভিন্ন দেশে ৪ লাখের বেশি কর্মী পাঠিয়েছে বাংলাদেশ

শেরপুরে সাপের দংশনে কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যু, চিকিৎসকের দায়িত্বহীনতার অভিযোগ

  • আপডেট টাইম :: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬

শেরপুর : বিষাক্ত সাপের দংশনে মারা গেছে শেরপুর সরকারী কলেজের অনার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থী শাহিন আকন্দ (২০)।

গতকাল শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শাহিন শেরপুর সদর উপজেলার চরমোচারিয়া ইউনিয়নের হরিণধরা গ্রামের শফিকুল আকন্দের ছেলে।

সূত্র জানায়, শুক্রবার রাত আটটার দিকে শাহিন তার বাড়ি থেকে বের হওয়ার পথে একটি বিষাক্ত সাপ পায়ে কামড় বসায়। বিষয়টি সে টের পেলে তাৎক্ষণিক স্বজনেরা তাকে দ্রুত শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। অভিভাবকদের অভিযোগ, শাহিনকে হাসপাতালে আনার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নির্বিষ সাপের কামড় বলে জানান এবং তাকে রেস্ট নিতে বলেন। কিছুক্ষণ পর শাহিনের অবস্থার অবনতি শুরু হলে চিকিৎসককে জানানো হয়। পরে সোয়া দশটার দিকে তাকে এন্টিভেনম দিয়ে দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ময়মনসি ংহ নেওয়ার পথে ফুলপুর এলাকায় পৌছালে শাহিন মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। পরে ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শাহিনের স্বজনদের অভিযোগ, সাপে কামড়ের পরপরই শাহিনকে হাসপাতদালে নেওয়া হয়। চিকিৎসক তাৎক্ষণিক এন্টিভেনম দিলে শাহিন হয়তো বেঁচে যেতো।

এ বিষয়ে জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত¡াবধায়ক ডাঃ ইমরান হোসেন জানান, আটটার দিকে সাপে কাটার পর নয়টা ২৫ মিনিটের দিকে তাকে হাসপাতালে আনা হয়। তখনই রোগী চোখে দেখছিল না, শ^াসকষ্ট শুরু হয়। পরে সাথে সাথেই তাকে এন্টিভেনম দেওয়া হয়। মৃত্যুর ঘটনায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, চিকিৎসার কমতি বা গাফিলতি হয়নি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com