1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
অটোরিকশা নিতেই চালককে হত্যা, তিন বছর পর রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৩ নালিতাবাড়ীতে অঙ্গীকার ফাউন্ডেশন’র স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে ফল গাছের চারা বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর খালাতো ভাইয়ের সোয়া কোটি টাকা ছিনতাই, মূলহোতা গ্রেপ্তার বিদায়ী বক্তব্যে বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল তিন বছর পর ভ্যান চালক হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৩ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন নতুন দুই মুখ, কাল হতে পারে প্রজ্ঞাপন নকলায় খাল পুনঃখনন প্রকল্পের ৭৮ লাখ টাকা ফেরত গেল সরকারি কোষাগারে জনগণের আস্থা অর্জনে মানবিক আচরণের ওপর গুরুত্ব ময়মনসিংহের ডিআইজির শেরপুরে গণশুনানিতে ২১৯ সেবাপ্রার্থীকে সহায়তা ছাড়পত্র ছাড়াই জাহাজ কাটছিল ফেরদৌস স্টিল, জরিমানা ৫ লাখ

শেরপুর জেলায় তরমুজের কেজি ৫০-৮০, বাঙ্গি ৪০: অন্যান্য মৌসুমী ফলেও আগুন

  • আপডেট টাইম :: মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১

মনিরুল ইসলাম মনির: সীমান্তবর্তী জেলা শেরপুর সদরসহ এর অন্য উপজেলাগুলোতে মৌসুমী ফলের বাজারে আগুন। রমজানে তাপদাহের সাথে পাল্লা দিয়ে ফলের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় নাভিঃশ্বাস নিম্ন আয়ের ও মধ্যবিত্ত পরিবারে। অথচ মুনাফাখোরী এসব ব্যবসায়ীর লাগাম টানতে নেই কারও নজরদারী।
জেলা শহর ছাড়াও শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতি, নালিতাবাড়ী ও নকলা শহরের বাজারগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে প্রতিকেজি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে সর্বনিম্ন ৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৮০ টাকা কেজি দরে। এতে করে একটি ১শ টাকার তরমুজ অন্তত ২৫০ টাকায় গিয়ে দাড়ায়। মৌসুমী ফল বাঙ্গি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি দরে। যার পূর্বের মূল্য ২০-৩০ টাকার স্থলে দাম পড়ছে ৮০-১০০ টাকায়। প্রাণ জুড়ানো সরবতের প্রধান উপকরণ উপকারী ফল বেল ছোট প্রতি পিস ৩৫-৪০ টাকায়। যা আগে ছিল ১৫-২০ টাকায়। বড় হলে তো কথাই নেই। সবরি কলা মাঝারি সাইজের প্রতি হালি (৪ পিস) ৩০ টাকা। যা আগে ছিল ১৫-২০ টাকা। সাগর কলা, চম্পা কলা, গেরা সুন্দরী ও জাপকাঁঠালী কলা সাইজ ভেদে ২০-৩০ টাকা হালি। ছোট সাইজের আনারস প্রতি পিস ৪০ টাকা। যা আগে ছিল ২০ টাকা। লেবু প্রতি হালি ৩০-৪০ টাকা। যা আগে ছিল ৬-১৬ টাকা। এভাবে প্রতিটি মৌসুমী ফলের দাম আকাশচুম্বি। নিম্ন আয়ের মানুষ তো দূরের কথা মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে চলে গেছে মৌসুমী ফল।
খুচরা ব্যবসায়ীরা ক্রয়মূল্য বেশি অজুহাতে ইচ্ছেমত দাম বসিয়ে জিম্মি করে রেখেছে ভোক্তাদের। অথচ খোঁজ নিলে দেখা যায়, উৎপাদনকারী চাষীরা বাজার দরের তুলনায় অনেক কম মূল্যে এসব ফল বিক্রি করছেন। বিশেষ করে, দক্ষিণাঞ্চলের তরমুজ চাষীরা তো লকডাউনের কারণে ন্যায্য মূল্যই পাচ্ছেন না। এমতাবস্থায় ভোক্তারা লাগামহীন এ মূল্যে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সরকারের দায়িত্বশীলদের দায়িত্বহীনতাকেই দায়ী করেছেন তারা। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতেও দায়িত্বশীলদের তৎপরতা না থাকায় সন্তুষ্ট নন ক্রেতা-ভোক্তারা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খুচরা বিক্রেতা তো রয়েছেই মধ্যস্বত্বভোগী ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে এসব ভোগ্য পণ্যের দাম নিজেদের খেয়াল খুশিমত বসিয়ে দেন। এমতাবস্থায় এমন জিম্মিদশা থেকেই রেহাই চান ভুক্তভোগী ক্রেতাসাধারণ। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com