1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
অটোরিকশা নিতেই চালককে হত্যা, তিন বছর পর রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৩ নালিতাবাড়ীতে অঙ্গীকার ফাউন্ডেশন’র স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে ফল গাছের চারা বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর খালাতো ভাইয়ের সোয়া কোটি টাকা ছিনতাই, মূলহোতা গ্রেপ্তার বিদায়ী বক্তব্যে বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল তিন বছর পর ভ্যান চালক হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৩ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন নতুন দুই মুখ, কাল হতে পারে প্রজ্ঞাপন নকলায় খাল পুনঃখনন প্রকল্পের ৭৮ লাখ টাকা ফেরত গেল সরকারি কোষাগারে জনগণের আস্থা অর্জনে মানবিক আচরণের ওপর গুরুত্ব ময়মনসিংহের ডিআইজির শেরপুরে গণশুনানিতে ২১৯ সেবাপ্রার্থীকে সহায়তা ছাড়পত্র ছাড়াই জাহাজ কাটছিল ফেরদৌস স্টিল, জরিমানা ৫ লাখ

ঝিনাইগাতীতে আম্রপালী চাষ করে স্বাবলম্বী মোরাদ মন্ডল

  • আপডেট টাইম :: সোমবার, ২৮ জুন, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার: আবহমান বাংলায় জৈষ্ঠ্য আষাঢ় মাসে দেশি আমের গাছে পাকা আমের সমারোহে সজ্জিত। আত্মীয়তা করতে দুধ-কাঁঠালের সাথে পাকা আমের রসে রসিকতা বারে। উন্নত জাতের আম চাষের বাগানের সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে।

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার সীমান্ত এলাকা নাকশি গ্ৰামের আব্দুল মজিদ মন্ডলের ছেলে মোরাদ মন্ডল আম্রপালি জাতের আম চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। তার বুকে অনেক দিনের লালিত সপ্ন আম বাগান করবেন। গত চার বছর আগে পৈত্রিক সম্পত্তি দেড় একর জমিতে দুইশত বিশটি আমের চারা রোপণ করে আম বাগান শুরু করেন। এ বাগানের মধ্যেই পাশাপাশি দুইশ কপি গাছের চারা, বিশটি চায়না-৩ জাতীয় চারা ও চারটি সৌদি আরবের খেজুর গাছের চারা এবং কয়েকটি ড্রাগন ফলের চারা রোপণ করেন। গত দুই বছর ধরে আম গাছে আম ধরা শুরু করেছে।

কৃষক মোরাদ বলেন, আমের চারা রাজশাহী থেকে আনতে প্রতি চারা ৬০ টাকা এবং অন্যান্য জায়গা থেকে সংগ্ৰহ করা প্রতিটি কপি চারা ১৫০ টাকা, প্রতিটি লিচু চারা ৬০ টাকা, প্রতিটি সৈদি আরবের খেজুর গাছের চারা ৮ হাজার ৫০০ টাকা করে পড়েছে। পরিচর্যাসহ গত ৪ বছর এতে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা ব্যয় হয়েছে। তবে গত বছর আম বিক্রি করে প্রায় ১ লক্ষ টাকা পেয়েছি। এ বছরও বেশ ভালো আম ধরেছে। বিক্রি করার পর বোঝা যাবে যে কত টাকা পাওয়া যায়।

তিনি বলেন, বাস্তবতা থেকে বুঝা যায়, পাহাড়ি উঁচু এলাকা হওয়ায় এ জাতীয় আম চাষের জন্য উপযোগী মাটি। ভালো ফল পাওয়া যায়। আম বাগানের চাষ একটি লাভজনক ব্যবসা। আমি চাই আমার দেখাদেখি অন্যরাও উৎসাহিত হোক।

তবে তিনি বলেন, এ জায়গায় প্রধান সমস্যা হচ্ছে সেচ সল্পতা। আমার এ বাগানে খরার সময় শ্রমিক নিয়োগ করে কলসি দিয়ে পানি এনে সেচের ব্যবস্থা করা হয়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হুমায়ূন কবির বলেন, মোরাদের আমের বাগান একটি মিশ্র বাগান। সে মুলত আম্রপালী জাতের আম বাগান করেছে। পাশাপাশি কিছু লিচু, ড্রাগন, সৌদি খেজুর ফলের চারা লাগিয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে প্রযুক্তিগত পরামর্শ দিয়ে থাকি। পাশাপাশি এ বছর ২শত ব্যাগ দিয়েছি আম প্যাক করার জন্য। এতে দেখা যায় কোনপ্রকার বিষ, ফরমালিন বা হরমোন প্রয়োগ করতে হয় না।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com