1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নকলায় খাল পুনঃখনন প্রকল্পের ৭৮ লাখ টাকা ফেরত গেল সরকারি কোষাগারে জনগণের আস্থা অর্জনে মানবিক আচরণের ওপর গুরুত্ব ময়মনসিংহের ডিআইজির শেরপুরে গণশুনানিতে ২১৯ সেবাপ্রার্থীকে সহায়তা ছাড়পত্র ছাড়াই জাহাজ কাটছিল ফেরদৌস স্টিল, জরিমানা ৫ লাখ প্যারোলে মুক্তি পেতে পারেন দীপু মনি, কারাফটকের সামনে মেয়ে ও আইনজীবী নিহতদের পাঁচজন বাংলাদেশি, চারজন একই পরিবারের সদস্য: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আইনি বাধা নেই : অ্যাটর্নি জেনারেল চট্টগ্রামে বকেয়া বেতনের দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে নালিতাবাড়ীতে ফুটবল প্রতিযোগিতা মসজিদের ভেতরে চলছে জানাজা, বাইরে অশ্রুসিক্ত নয়নে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা

ঝিনাইগাতীতে শতাধিক একর জমিতে চিটা ধান

  • আপডেট টাইম :: মঙ্গলবার, ৬ মে, ২০২৫

মোহাম্মদ দুদু মল্লিক, শেরপুর : দূর থেকে দেখলে মনে হবে পাকা ধানে ভরে গেছে বোর ধানের ক্ষেত। কিন্তু বাস্তবে ওইসব ক্ষেতে গেলে দেখা যায়, পুরো ক্ষেতে নামমাত্র কোন ধান নেই, সবই চিটা। এমন ভয়ংকর ক্ষতিতে কৃষকদের মাথায় বাজ পড়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের ডেফলাই গ্রামে। কৃষকরা বলছেন, দায়- দেনা করে স্থানীয় ডিলার ও কৃষি বিভাগের পরামর্শে সার এবং কীটনাশক ব্যবহার করেও তারা তাদের ক্ষেতের ফসলকে পোকার আক্রমন থেকে রক্ষা করতে পারেননি।

এদিকে স্থানীয় কৃষি বিভাগ তাদের ব্যর্থতার দায় স্বীকার না করে বলছে, মাজরা পোকা দমনে বাজারের সবচেয়ে ভালো কীটনাশক ব্যবহারে কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে আসছে।

জানা গেছে, গেল বছর কয়েক দফা পাহাড়ি ঢলে পুরো জেলায় আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়। সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কৃষকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে বোরো ধান চাষ করেন। এ মৌসুমে ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের ডেফলাই গ্রামের প্রায় অর্ধশত কৃষক তাদের শতাধিক একর জমিতে ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার হাইব্রিড সীড্স এর জনক রাজ বোরো ধান সংগ্রহ করে বীজ বপণ করেন। ক্ষেতের অবস্থা দেখে কৃষকরাও বাম্পার ফলনের আশায় বুক বেধেঁছিলেন। কিন্তু সে আশায় গুড়ে বালি। ধানের থোর বের হওয়ার সময় দেখা দেয় মাজরা পোকার আক্রমণ। এসময় কৃষকরা দায়-দেনা করে স্থানীয় ডিলার ও কৃষি বিভাগের পরামর্শে ওইসব জমিতে কীটনাশক ব্যবহার করলেও মেলেনি কোন প্রতিকার। প্রায় শতাধিক একর জমির বোরো ধান পুরোটাই চিটা। ফলে হতাশায় ভেঙ্গে পড়েছেন ওইসব কৃষক।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, স্থানীয় সার ও কীটনাশক ডিলার এবং কৃষি বিভাগের পরামর্শে নানা প্রকার বিষ প্রয়োগের পরও তাদের বোরো ক্ষেতের পুরো ধান চিটা হয়ে গেছে। এমতাবস্থায় প্রশ্ন ছুঁড়ে তারা বলেন, তারা সংসার চালাবে কিভাবে? আর দায়-দেনা পরিশোধই বা করবে কিভাবে? তাদের এই ক্ষতির দায় এখন কে নেবে?

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকতা ফরহাদ হোসেন জানান, বোরো ধান চাষীদের মাজরা পোকা দমনে বাজারের ভালো কীটনাশক প্রয়োগের পরামর্শ প্রদান করাসহ উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নিতে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

এদিকে এলাকার সচেতন মহলের প্রশ্ন, উপজেলার ডেফলাই গ্রামের অর্ধশতাধিক কৃষকের শতাধিক একর জমির বোরো ধান চিটায় পরিণত হওয়ার পেছনে দায়ী স্থানীয় ডিলার? কৃষি বিভাগ? নাকি বীজ কোম্পানী?

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com