1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন ‘সব ফাঁস করে দেবো’, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের সৈয়দপুরে সিলগালা গোডাউন থেকে ২ কোটি টাকার কীটনাশক উধাও সঠিক চিকিৎসা পেলে কঠিন রোগে আক্রান্ত রোগীও সুস্থ হতে পারে: ডা. জুবাইদা দেশে ধর্মের নামে বিভাজনের কোনো সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল ভারতে শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক কর্মসূচির সুযোগ দেওয়া হয়নি আগস্টের শেষ সপ্তাহে খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার : মাহদী আমিন ৭ মাসের শিশুকে ফিরে পেলেন ১৩ বছরের মা! হালুয়াঘাটে খাল পুনঃখনন শেষে কোষাগারে ফিরছে প্রায় দেড় কোটি টাকা হজের ব্যয় আরও অন্তত ৪০ হাজার টাকা কমবে: বেসামরিক বিমান প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে কোনো শিশুই আর পিছিয়ে থাকবে না: ববি হাজ্জাজ

সৈয়দপুরে সিলগালা গোডাউন থেকে ২ কোটি টাকার কীটনাশক উধাও

  • আপডেট টাইম :: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬

বাংলার কাগজ ডেস্ক : নীলফামারীর সৈয়দপুরে বিসিক শিল্প নগরীর একটি সিলগালা গোডাউনে জব্দকৃত প্রায় দুই কোটি টাকার নিষিদ্ধ কীটনাশক উধাও হয়ে গেছে। এ ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরে জেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

গত বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসব জব্দকৃত নিষিদ্ধ কীটনাশক ধ্বংস করার অভিযানে আসেন।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান। এসময়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা, থানা পুলিশের উপপরিদর্শক মনিরুজ্জামান মনিরসহ পুলিশের সদস্যরা সহায়তায় ছিলেন।

জানা যায়, ২০২৪ সালের ২৫ জুন বিসিক শিল্প নগরীর একটি গোডাউন থেকে নিষিদ্ধ কীটনাশক বিফার ৫জি অন্য জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এসময়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। এতে সেই গোডাউনে থাকা নিষিদ্ধ ৯৯ মেট্রিক টন কীটনাশক জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ২ কোটি টাকা। পরে গোডাউনটি সিলগালা করে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীমান ভূষণ থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।

আরও জানা যায়, দীর্ঘদিন মামলা চলার পরে গত বুধবার আদালতের নির্দেশে গোডাউনে জব্দ করে রাখা নিষিদ্ধ কীটনাশক ধ্বংস করতে আসেন ম্যাজিস্ট্রেট। এসময়ে সিলগালা ভেঙে গোডাউনে প্রবেশ করে ভিতরে জব্দকৃত কীটনাশকের সব কার্টুন ফাঁকা দেখতে পান। সেখানে মাত্র ১২৩ প্যাকেট কীটনাশকের প্যাকেট পাওয়া যায়। সেগুলোও ছেড়া ফাটা। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসব ধ্বংস না করে বিসিক শিল্প নগরীর কর্মকর্তা মশিয়ার রহমানের জিম্মায় রেখে চলে যান।

এবিষয়ে সৈয়দপুর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক মনিরুজ্জামান মুন  বলেন, গত বুধবার সেখানে ম্যাজিস্ট্রেট স্যারের সঙ্গে কীটনাশক ধ্বংসকরণ অভিযানে গেয়েছিলাম। পরে সেখানে সিলগালা ভেঙে গোডাউনের ভিতরে যে পরিমাণ মালামাল থাকার কথা ছিল তা পাওয়া যায়নি। পরে ম্যাজিস্ট্রেট সেখানে ধ্বংস না করেই চলে গেছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও মামলার বাদী ধীমান ভূষণ  বলেন, এ বিষয়ে আমাকে এখন পর্যন্ত অফিসিয়ালভাবে কিছু জানানো হয়নি। এজন্য এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে পারছি না। তবে মামলাটির বাদী আমিই।

এবিষয়ে সৈয়দপুর বিসিক শিল্পনগরীর কর্মকর্তা মশিয়ার রহমান বলেন, বুধবার ম্যাজিস্ট্রেট এসব ধ্বংস করতে এসেছিলেন। তবে সিলগালা ভেঙে ভিতরে সব পাওয়া যায়নি। সেখানে মাত্র কীটনাশকের ১২৩ টি প্যাকেট পাওয়া গেছে। পরে ম্যাজিস্ট্রেট ধ্বংস অভিযান পরিচালনা না করেই চলে যান। বাকি মালামাল কোথায় গিয়েছে এ বিষয়ে আদালত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবেন।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com